অন্যান্য মুদ্রার বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রের ডলারের মান এক বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাত দিয়ে সিএনবিসির প্রতিবেদনে বিষয়টিকে যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি হ্রাসের ইঙ্গিত হিসেবে উপস্থাপন করেছে। ফলে সুদহার বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে পারে ফেডের পক্ষ থেকে। তবে বিষয়টি নিয়ে আরো স্পষ্ট ধারণা পেতে অপেক্ষা করছেন ব্যবসায়ীরা।
ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের (ইইউ) মূল মুদ্রার দাম স্থির হয়েছে ১ ডলার ১২৪৪০ সেন্টে, যা ১৫ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। জাপানি মুদ্রার বিরুদ্ধে গ্রিনব্যাক শক্তি হারিয়েছে শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ। ডলারপ্রতি দর নিষ্পত্তি হয়েছে ১৩৮ দশমিক ১৮ ইয়েনে, দুই মাসের মধ্যে যা সবচেয়ে কম। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, দেশটিতে মূল্যস্ফীতি প্রায় নিয়ন্ত্রণে।
জুনে ভোক্তা মূল্য সূচক (সিপিআই) তুলনামূলক কম বেড়েছে। ২৫-২৬ জুলাই বৈঠকে বসবেন ফেডের নীতিনির্ধারকরা। বিনিয়োগকারীরা প্রত্যাশা করছেন, এবার সুদহার বাড়ানোর ঘোষণা দিতে পারেন তারা। ফলে অন্যান্য প্রধান ছয় মুদ্রার বিপরীতে ডলার সূচক ব্যাপক নিম্নমুখী, যা সাপ্তাহিক ভিত্তিতে ২০২২ সালের নভেম্বরের পর সর্বনিম্ন।
শুধু গত সপ্তাহেই আন্তর্জাতিক মুদ্রাটির দরপতন ঘটেছে ২ দশমিক ২৫ শতাংশ।
ফলে ইউরোর মূল্যমান বাড়তে পারে। সেই সঙ্গে চাপে পড়বে গ্রিনব্যাক। এদিকে সুইডেনের মুদ্রার মান বেড়েছে শূন্য দশমিক ৬৫ শতাংশ, ১ ডলারের দাম দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ১৮৬০ সুইডিশ ক্রোনা। নরওয়ের মুদ্রার দর বেড়েছে শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ। প্রতি ডলার বিক্রি হচ্ছে ১০ দশমিক ০১৮০ নরওয়েজিয়ান ক্রোনায়। ব্রিটিশ মুদ্রা পাউন্ড স্টার্লিংয়ে মূল্যমান স্থির হয়েছে ১ দশমিক ৩০৯৪ ডলারে, যা ১৭ মাসের মধ্যে প্রায় সর্বোচ্চ।










