বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) মুনাফা কমেছে বায়োএনটেকের। ফাইজারের সঙ্গে যৌথভাবে টিকা নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটির মুনাফা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় অর্ধেকের কাছাকাছি নেমেছে। যদিও আপডেট ডোজ নিয়ে আসার পর টিকা বিক্রির পূর্বাভাস বাড়িয়েছে জার্মান প্রতিষ্ঠানটি। খবর এপি।
বায়োএনটেক জানিয়েছে, সেপ্টেম্বরে শেষ হওয়া তিন মাসে সংস্থাটির আয় ৩৫০ কোটি ইউরোয় নেমেছে। এ সময়ে সংস্থাটির নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ১৮০ কোটি ইউরোয়। যেখানে গত বছরের একই সময়ে সংস্থাটির আয় ৬১০ কোটি এবং নিট মুনাফা ছিল ৩২০ কোটি ইউরো।
বায়োএনটেক জানিয়েছে, মহামারীর পরিস্থিতি অস্থিতিশীল থাকায় মুনাফায় এমন ওঠানামা সৃষ্টি হয়েছে। তবে বছরের প্রথম নয় মাসে প্রতিষ্ঠানের আয় ও মুনাফা স্থিতিশীল রয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির প্রধান অর্থ কর্মকর্তা জেনস হলস্টেইন বলেন, তৃতীয় প্রান্তিকে আমাদের দৃঢ় আর্থিক পরিস্থিতি অব্যাহত রয়েছে। আমরা চলতি বছরের জন্য টিকা বিক্রির পূর্বাভাস আরো বাড়িয়েছি। সেপ্টেম্বরের প্রথম দিকে আমরা ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট লক্ষ্য করে কভিড টিকার হালনাগাদ সংস্করণ নিয়ে এসেছি। বছরের শেষ তিন মাসে আমাদের শক্তিশালী সরবরাহ অব্যাহত থাকবে বলে আশা করছি।
হালনাগাদ হওয়া টিকার উদ্ধৃতি দিয়ে বায়োএনটেক চলতি বছর কভিড টিকা থেকে ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৭০০ কোটি ডলার আয়ের আশা করছে। যেখানে এর আগে ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৭০০ কোটি ডলার আয়ের পূর্বাভাস দেয়া হয়েছিল। মার্কিন ফার্মাসিউটিক্যাল জায়ান্ট ফাইজারের সঙ্গে টিকা উৎপাদন করা প্রতিষ্ঠানটি আয় ও ব্যয় ভাগাভাগি করে থাকে।
ফাইজার গত সপ্তাহে বলেছিল, কভিডের চিকিৎসায় ব্যবহূত প্যাক্সলোভিড এ-সম্পর্কিত আয়ের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করেছে। বায়োএনটেক জানিয়েছে, সংস্থাটি প্রায় ৩০ কোটি ডোজ হালনাগাদ করা টিকা বিক্রি করেছে। ফাইজার ও বায়োএনটেক নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোয় মোট প্রায় ১৬০ কোটি ডোজ টিকা বিক্রি করেছে। দরিদ্র দেশগুলোয় টিকা সরবরাহে জাতিসংঘের উদ্যোগ কোভ্যাক্স প্রোগ্রামের আওতায় এসব টিকা সরবরাহ করা হয়েছে। তবে ফাইজার-বায়োএনটেক কিংবা মডার্না কোভ্যাক্সের আওতায় এখনো হালনাগাদ করা টিকার ডোজ সরবরাহ করতে সম্মত হয়নি।










