ফ্রান্সের অর্থনীতি চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে। প্রবৃদ্ধির হার ছিল পূর্বাভাসের চেয়ে বেশি। সম্প্রতি দেশটির সরকারি প্রতিবেদনেই এমনটিই উঠে এসেছে। খবর ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে।

আইএনএসইইই জরিপে ২০২৩ সালের এপ্রিল-জুন প্রান্তিকের জন্য প্রবৃদ্ধি বাড়ার পূর্বাভাস দেয়া হয়েছিল দশমিক ১ শতাংশ। গৃহস্থালি ব্যয় সংকুচিত ও মূল্যস্ফীতির দৌরাত্ম্যে কিছুটা প্রভাবিত হয়েছে ভোক্তা ব্যয়। তার পরও বেড়েছে রফতানি। শিল্পোদৎপাদন ও জ্বালানি উৎপাদন খাতের কার্যক্রম ছিল ঊর্ধ্বমুখী।

বছরওয়ারি জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি কমে ৪ দশমিক ৩ শতাংশে নেমে এসেছে। মূল্যস্ফীতির নিম্নমুখিতার প্রধান কারণ জ্বালানি ও খাদ্যপণ্যের দাম কমে আসা। দেশটিতে বছরের শুরুর দিকে ৬ শতাংশের বেশি ছিল মূল্যস্ফীতি। যদিও পরবর্তী দিনগুলোয় শিথিল হতে থাকে মূল্যসূচক।