রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন প্রতিষ্ঠান পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। আগামী বছরের ৬ জানুয়ারি বেলা ১১টায় কোম্পানিটির এজিএম অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এর পরিবর্তে ২০ জানুয়ারি বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া এজিএম-সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য অপরিবর্তিত থাকবে। স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য অনুসারে, সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে পদ্মা অয়েলের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩৫ টাকা ৫৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে ছিল ২৪ টাকা ৪৭ পয়সা। গত ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২০৩ টাকা ৪৬ পয়সায়, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৮০ টাকা ৩৮ পয়সা। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৩৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ করেছে। 

কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) পদ্মা অয়েলের শেয়ারপ্রতি নিট আয় হয়েছে ৯০ কোটি ৭৭ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে আয় হয়েছিল ৭০ কোটি ৭৫ লাখ ১৬ হাজার টাকা। আলোচ্য প্রান্তিকে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৯ টাকা ২৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৭ টাকা ২০ পয়সা। গত ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২১২ টাকা ৭০ পয়সায়। 

সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২৪ টাকা ৪৭ পয়সা, যা আগের হিসাব বছরে ছিল ২৩ টাকা ২৭ পয়সায়। গত   বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৮০ টাকা ৩৮ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১৬৮ টাকা ৪১ পয়সা। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২০-২১ হিসাব বছরের জন্যও শেয়ারহোল্ডারদের ১২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে পদ্মা অয়েল। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২৩ টাকা ২৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২৭ টাকা ৭৯ পয়সা।

সমাপ্ত ২০১৯-২০ হিসাব বছরের জন্যও শেয়ারহোল্ডারদের ১২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল পদ্মা অয়েল। ২০১৮-১৯ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। আগের হিসাব বছরেও একই হারে নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা।

১৯৭৬ সালে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৯৮ কোটি ২৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১ হাজার ৬৮১ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৯ কোটি ৮২ লাখ ৩২ হাজার ৭৫০। এর মধ্যে সরকারের কাছে ৫০ দশমিক ৩৫ শতাংশ, উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে ২ দশমিক শূন্য ৬, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩২ দশমিক শূন্য ৬, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক ৮৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ১৪ দশমিক ৭০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।