গত মাসের শেষদিকে বোয়িং জানিয়েছিল, তারা ১০ হাজার নতুন কর্মী নিয়োগ দেবে। তার কয়েকদিনের মধ্যেই মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা জায়ান্টটি বলছে, অর্থ ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার মতো দাপ্তরিক কাজে সংশ্লিষ্ট দুই হাজার কর্মীকে ছাঁটাই করবে তারা। প্রকৌশল ও শিল্পোৎপাদন খাতে মনোযোগের অংশ হিসেবে অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যয় কমাচ্ছে মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা জায়ান্টটি। খবর এপি।
সোমবার এক বিবৃতিতে বোয়িং জানায়, অর্থ ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার মতো কিছু খাত টাটা কনসাল্টিং সার্ভিসে (টিসিএস) আউটসোর্স করা হচ্ছে। পণ্য, পরিষেবা ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নে জোর দিতে চায় ওয়াশিংটনের সিয়াটলভিত্তিক কোম্পানিটি।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সিয়াটল টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, কোম্পানির অর্থ বিভাগে ছাঁটাই হবে প্রায় দেড় হাজার কর্মী, যা এ বিভাগের ৫ হাজার ৮০০ কর্মীর এক-চতুর্থাংশ। মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা বা এইচআর বিভাগ থেকে বাদ যাচ্ছে ৪০০ কর্মী। এ বিভাগের মোট কর্মীর ১৫ শতাংশ ছাঁটাই হচ্ছে।
দুটি মারাত্মক বিমান দুর্ঘটনার পর ৭৩৭ ম্যাক্স দীর্ঘদিন গ্রাউন্ডেড রাখা এবং করোনা মহামারীতে বিক্রি হ্রাসে ধুঁকেছে উড়োজাহাজ নির্মাতা জায়ান্টটি। করোনা পরবর্তী সময়ে এভিয়েশন খাত ঘুরে দাঁড়ানোর ফলে ফের ব্যবসা চাঙ্গা হয়ে উঠছে বোয়িংয়ের।
নতুন সিদ্ধান্তের ফলে এক-তৃতীয়াংশ কাজ বেঙ্গালুরুভিত্তিক টিসিএসের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তবে প্রকৌশল ও শিল্পোৎপাদন খাতে নিয়োগ অব্যাহত থাকবে বলে জানায় বোয়িং।
২০২২ সালে ১৫ হাজার নতুন কর্মী নিয়োগ দিয়েছে বোয়িং। চলতি বছর আরো ১০ হাজার নতুন কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।
৩১ ডিসেম্বর শেষে বোয়িংয়ের মোট কর্মী দাঁড়িয়েছিল ১ লাখ ৫৬ হাজার।










