চলতি বছর কিউবার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার এখনো ২ শতাংশের কম, যা প্রাক-মহামারী স্তরের ৮ শতাংশের নিচে। উৎপাদন কমেছে কৃষি, খনি ও উৎপাদনের মতো খাতগুলোর। দেশটির কিউবার অর্থমন্ত্রী আলেজান্দ্রো গিল। খবর রয়টার্স।
পার্লামেন্ট অধিবেশনে কথা বলার সময় তিনি বলেন, ‘কিউবার প্রাথমিক খাতগুলো হলো কৃষি, খনি ও অন্যান্য মৌলিক শিল্প। ২০১৯-এর তুলনায় চলতি বছর খাতগুলোয় উৎপাদনের পরিমাণ ৩৪ দশমিক ৯ শতাংশের কম। এছাড়া শিক্ষা, পর্যটন, যোগাযোগ খাতের অংশগ্রহণ কমেছে ৪ দশমিক ৯ শতাংশের মতো।’
কিউবা খাদ্য, জ্বালানি ও অন্যান্য আমদানির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। বর্তমানে দেশটির রফতানি আয়ের ৫০ শতাংশেরও বেশি কমেছে, কারণ হিসেবে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি কভিড-১৯ ভাইরাস মহামারীকে দায়ী করছে দেশটি।
গিল বলেন, ‘চলতি বছর এখন পর্যন্ত রফতানি আয় হয়েছে মাত্র ১৩০ কোটি মার্কিন ডলার, যা প্রত্যাশিত রফতানি আয়ের তুলনায় মাত্র ৩৫ দশমিক ৭ শতাংশ। বিপরীতে আমদানি ব্যয় হয়েছে ৪৪০ কোটি ডলার।
কিউবার অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, ‘মূল্যস্ফীতি চলতি বছর ৪৫ শতাংশ বেড়েছে, যা গত বছরের ৩৯ শতাংশের বেশি। যদিও মূল্যস্ফীতির লাগাম টানার জন্য মূল্যনিয়ন্ত্রণ করছে কিউবার সরকার। এক্ষেত্রে তারা খুব বেশি সাফল্য অর্জন করতে পারছেন না। সরকারের পক্ষ থেকে স্বীকার করা হয়েছে, কম উৎপাদনশীলতা ও আউটপুটের মতো কারণগুলো পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে।’










