হিনডেনবার্গ রিসার্চের প্রতিবেদন প্রকাশের
জেরে পুঁজিবাজারে বড় ধরনের দরপতন অব্যাহত রয়েছে আদানি গ্রুপের নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠানগুলোর।
গত এক সপ্তাহে মোট ১০ হাজার কোটি ডলারের মূল্য খুঁইয়েছে। একইসঙ্গে কমেছে গৌতম আদানির
ব্যক্তিগত সম্পদও। গত সপ্তাহে তৃতীয় শীর্ষ ধনী এখন তালিকার ১৬ নম্বরে। খবর রয়টার্স।
আজ বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত আদানি
এন্টারপ্রাইজের শেয়ারমূল্য কমেছে ১০ শতাংশ। আদানি পোর্টস অ্যান্ড স্পেশাল ইকোনোমিক
জোন, আদানি টোটাল গ্যাস, আদানি গ্রিন এনার্জি, আদানি ট্রান্সমিশনের দরপতনও হয়েছে ১০
শতাংশ হারে। আদানি পাওয়ার ও আদানি উইলমারের দরপতন হয়েছে ৫ শতাংশ করে।
এদিকে ভারতের স্থানীয় ব্যাংকগুলোর কাছে আদানি
গ্রুপের সঙ্গে লেনদেনের বিস্তারিত তথ্য জানতে চেয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
সম্প্রতি আদানি গ্রুপকে নিয়ে একটি প্রতিবেদন
প্রকাশ করে মার্কিন সংস্থা হিনডেনবার্গ। তাদের দাবি, আদানি গ্রুপের ঘাড়ে বিপুল ঋণের
বোঝা। অ্যাকাউন্টিংয়েও রয়েছে সমস্যা।
প্রতিবেদনে বলা হয়, আদানি গ্রুপ বহু বছর ধরেই
অভাবনীয় স্টক ম্যানিপুলেশন এবং অ্যাকাউন্টিং জালিয়াতিতে জড়িত। ঋণ নিয়ে প্রশ্ন তুলে
দাবি করা হয়, কারচুপি করে ধনী হয়েছেন আদানিরা। শেয়ার বাজারে তাদের যে অবস্থান, তার
অনেকটাই কৃত্রিম। ওই প্রতিবেদনে আদানি গ্রুপকে ৮৮টি প্রশ্ন করা হয়।
এই এক প্রতিবেদনে টলে গেছে আদানির বিলিয়ন
ডলারের সাম্রাজ্য। শুরু হয় পুঁজিবাজারের আদানি গ্রুপের প্রতিষ্ঠানগুলোর দরপতন। তবে
কনগ্লোমারেটটির দাবি, বিনিয়োগকারীদের পূর্ণ সমর্থন আছে তাদের প্রতি। যদিও বাজারের অব্যাহত
দরপতন সে কথা বলছে না।










