দেশটির একটি সামুদ্রিক গবেষণা সংস্থা ২০২৮ অর্থবছরের মধ্যে একটি অত্যন্ত দক্ষ স্বয়ংক্রিয় ডুবোযান বা ‘ডিপ-সি ড্রোন’ তৈরির পরিকল্পনা করেছে। এ ড্রোনের মূল কাজ হবে সমুদ্রের তলদেশে থাকা ‘রেয়ার আর্থ’ বা বিরল খনিজ উপাদানের সন্ধান করা। খনিজের স্থায়ী সরবরাহ নিশ্চিত করতেই মূলত এ প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। খবর নিক্কেই এশিয়া।

ড্রোনটি তৈরি করবে জাপানের ‘এজেন্সি ফর মেরিন-আর্থ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি’ (জ্যামস্টেক)। সংস্থাটি এরই মধ্যে জাপানের পূর্ব সীমান্তের প্রত্যন্ত দ্বীপ মিনামিতোরিশিমার কাছাকাছি সমুদ্রের তলদেশে পরীক্ষামূলক খননকাজ চালিয়েছে। গবেষকদের ধারণা, ওই অঞ্চলের সামুদ্রিক কাদামাটির নিচে বিশাল পরিমাণে বিরল খনিজ সম্পদ জমা হয়ে আছে।

জ্যামস্টেক বলছে, নতুন ড্রোনের বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর দ্রুত ডুব দেয়ার ক্ষমতা। এটি প্রায় ৬০ ডিগ্রি কোণ করে মাত্র দেড় ঘণ্টার মধ্যে সমুদ্রের প্রায় ৬ হাজার মিটার গভীরে পৌঁছতে পারবে। সাধারণ ডুবোযানগুলোর এ গভীরতায় পৌঁছতে ২ ঘণ্টারও বেশি সময় লেগে যায়। ড্রোন তৈরির প্রকল্পটি মোট ১০ বছর মেয়াদি। এর মধ্যে ২০২৪ অর্থবছর থেকে প্রথম পাঁচ বছরের জন্য প্রায় ৮০০ কোটি ইয়েন বা ৫ কোটি ডলার বরাদ্দ করা হয়েছে। ২০২৮ সালের মধ্যেই ড্রোনের পরীক্ষামূলক ব্যবহার শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিশাল এ প্রকল্পে জাপানের জাতীয় সামুদ্রিক গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং টোকিওভিত্তিক পরিবেশবিষয়ক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ‘আইডিয়া কনসালট্যান্টস’ একসঙ্গে কাজ করছে।