সময়মতো গ্রাহকের বীমা দাবির অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়েছে তালিকাভুক্ত পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। এতে গ্রাহকদের মধ্যে হতাশা তৈরি হওয়ার পাশাপাশি বীমা খাতের ইমেজ ক্ষুণ্ন হচ্ছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে কোম্পানিটির পর্ষদে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে গতকাল এ তথ্য জানিয়েছে বীমা খাতের কোম্পানিটি।

তথ্যানুসারে, আইডিআরএর পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলমকে পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। বীমাগ্রহীতার স্বার্থ সংরক্ষণ ও সুশাসন নিশ্চিত করতে এ পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিয়েছে আইডিআরএ।

সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) কোম্পানিটির জীবন বীমা তহবিলের আকার ৬ কোটি ১৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা কমে ৬ কোটি ২৮ লাখ ৪০ হাজার টাকায় দাঁড়িয়েছে। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির এ তহবিলের আকার ২ কোটি ৬৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা কমে ১০ কোটি ৪৮ লাখ ১০ হাজার টাকায় দাঁড়িয়েছিল। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে আলোচ্য তিন প্রান্তিকে কোম্পানিটির জীবন বীমা তহবিলের আকার কমেছে ৩ কোটি ৮৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা। 

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। ২০২০ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। ২০১৭, ২০১৮ ও ২০১৯ হিসাব বছরের জন্যও কোনো লভ্যাংশ পাননি কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা। ২০১৬ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল তারা।

২০১২ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৩৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা।  কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ৩ কোটি ৮৮ লাখ ৮০ হাজার।