জাপানের বাণিজ্য ঘাটতি গত এপ্রিলে প্রায় অর্ধেক কমে ৪৩ হাজার ২৪১ কোটি ইয়েন বা ৩০০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া দেশটির আমদানি ২৭ মাসের মধ্যে প্রথম কমল। তবে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রফতানির রেকর্ড গড়েছে। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত সরকারি উপাত্তে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর কিয়োদো এজেন্সি।

সাম্প্রতিক মাসগুলোয় জ্বালানি জাপানের আমদানির বড় একটি অংশ দখল করে রেখেছিল। তবে এপ্রিলে দেশটির অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি হ্রাস পায়। এতে দেশটির মোট আমদানি ২ দশমিক ৩ শতাংশ কমে ৮ দশমিক ৭২ ট্রিলিয়ন ইয়েনে দাঁড়িয়েছে। বিপরীতে রফতানি ২ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ২৯ ট্রিলিয়ন ইয়েন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় অর্থনীতিতে শ্লথগতির ক্রমবর্ধমান শঙ্কা সত্ত্বেও রফতানি বেড়েছে জাপানের।

টানা ২১ মাস বাণিজ্য ঘাটতি দেখেছে জাপান। এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জাপানের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত দাঁড়িয়েছে ৭৯ হাজার ৪৮৩ কোটি ইয়েন। গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রে জাপানের রফতানি ১০ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ১ দশমিক ৬৬ ট্রিলিয়ন ইয়েনে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে আমদানি ১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৬ হাজার ২০৯ কোটি ইয়েন। অন্য প্রধান বাণিজ্য অংশীদার চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ৪৬ হাজার ৮৮ কোটি ইয়েন। চীন থেকে আমদানি ১৪ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১ দশমিক ৯১ ট্রিলিয়ন ইয়েনে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে দেশটিতে জাপানের রফতানি ২ দশমিক ৯ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৪৫ ট্রিলিয়ন ইয়েন।