মহামারীর অভিঘাত থেকে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বৈশ্বিক এভিয়েশন খাত। আন্তর্জাতিক উড়োজাহাজ চলাচল সংস্থা (আইএটিএ) বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে জানায়, চলতি বছরের মার্চে আকাশপথে বৈশ্বিক যাত্রী পরিবহন ৫২ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে। খবর আনাদোলু এজেন্সি।
উড়োজাহাজ চলাচল পরিমাপ করা হয় রেভিনিউ প্যাসেঞ্জার কিলোমিটার (আরপিকে) এককে। অর্থাৎ উড়োজাহাজে আরোহণ করা মোট যাত্রীদের দ্বারা ভ্রমণ করা মোট পথের পরিমাণকে কিলোমিটারে প্রকাশ। পরিসংখ্যান অনুসারে, মহামারীপূর্ব ২০১৯ সালের মার্চের তুলনায় চলতি বছরের মার্চে আরপিকে ১২ শতাংশ কম।
আইএটিএর মহাপরিচালক উইলি ওয়ালশ বলেছেন, ‘অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক পরিসরে ভ্রমণের জন্য টিকিট বিক্রিই প্রমাণ করে, উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকালে ভ্রমণ বৃদ্ধি চলতে থাকবে। আন্তর্জাতিক পরিসরে উড়োজাহাজ চলাচল ৬৮ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়েছে গত বছর। ২০১৯ সালের মার্চের তুলনায় আরপিকে পৌঁছেছিল ৮১ দশমিক ৬ শতাংশে। ওয়ালশের দাবি অনুযায়ী, চীন মহামারী পরবর্তী নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ায় আন্তর্জাতিক পরিসরে উড়োজাহাজ চলাচল তিন গুণ বেড়েছে।’
তবে অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে পুনরুদ্ধার অনেক বেশি শক্তিশালী। মার্চে বছরওয়ারি ১৫৮ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়েছে উড়োজাহাজ চলাচল। পৌঁছেছে প্রায় মহামারীপূর্ব অবস্থায়। বছরওয়ারি অভ্যন্তরীণ উড়োজাহাজ চলাচল বেড়েছে ৩৪ দশমিক ১ শতাংশ। ২০১৯ সালের মার্চের তুলনায় বেড়েছে ৯৮ দশমিক ৯ শতাংশ। আইএটিএর প্রকাশিত তথ্যে দেখা যাচ্ছে, আকাশপথে কার্গোর চলাচলের বৈশ্বিক চাহিদা বছরওয়ারি কমেছে ৭ দশমিক ৭ শতাংশ। তার পরও চলতি বছরের মার্চে কার্গোর সক্ষমতা বেড়েছে ৯ দশমিক ৯ শতাংশ।










