অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘ট্রিপল এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-ওয়ান’। সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিংস লিমিটেড (এনসিআর)। স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৮১ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময় যা ছিল ২ টাকা ৩৩ পয়সা।
সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজের বিক্রি বাবদ আয় হয়েছে ২ হাজার ৫৭৮ কোটি ৫২ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ হাজার ১৪৩ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ১৫৫ কোটি ৬২ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১২০ কোটি ৫১ লাখ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৭ টাকা ৭৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬ টাকা ৩ পয়সা। গত ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৫০ টাকা ১২ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৪৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৬ টাকা ৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১০ টাকা ১৯ পয়সা। গত বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৪৬ টাকা ৮৪ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১০ টাকা ১৯ পয়সা।
সমাপ্ত ২০২০-২১ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৫৪ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১০ টাকা ১৯ পয়সা, যা আগের বছরে ছিল ১০ টাকা ১৩ পয়সা।
১৯৮৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৯৯ কোটি ৯৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৭৩৬ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ১৯ কোটি ৯৯ লাখ ৩৮ হাজার ৮৮৬।
এর মধ্যে ৪৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, ১৯ দশমিক ৭৯ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, ২৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগকারী ও বাকি ১১ দশমিক ৭১ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।










