সাম্প্রতিক সময়ে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আনলিমা ইয়ার্ন ডায়িং লিমিটেড ও খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের শেয়ারদর ও লেনদেন অস্বাভাবিক বেড়েছে। এর পেছনে কোনো ধরনের মূল্যসংবেদনশীল তথ্য নেই বলে ডিএসইকে জানিয়েছে কোম্পানি দুটি। 

আনলিমা ইয়ার্ন: বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, ডিএসইতে ৫ ডিসেম্বর আনলিমা ইয়ার্নের শেয়ারদর ছিল ৩১ টাকা ৬০ পয়সা। এর পর থেকে কোম্পানিটির শেয়ারদর ঊর্ধ্বমুখী। গত বৃহস্পতিবার কোম্পানিটির শেয়ারের সর্বশেষ ও সমাপনী দর ছিল ৪২ টাকা ৫০ পয়সা। গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দর ছিল যথাক্রমে ৩০ টাকা ১০ পয়সা ও ৪৫ টাকা।

চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) আনলিমা ইয়ার্ন ডায়িং লিমিটেডের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১৬ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১ পয়সা। গত ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ২৭ পয়সায়। সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ করেনি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৮ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছিল ১৮ পয়সা। গত ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৪২ পয়সায়।

খান ব্রাদার্স পি‌পি ওভেন: গত ২৯ নভেম্বর কোম্পানিটির শেয়ারদর ছিল ৬৭ টাকা ৬০ পয়সা। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার কোম্পানিটির শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ৯৫ টাকা ৫০ পয়সায়। চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকেও যা একই ছিল। গত ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ১১ টাকা ৮৬ পয়সায়। 

সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৮ পয়সা। গত ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস ছিল ১১ টাকা ৮৭ পয়সায়। সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজের পর্ষদ। 

আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৫ পয়সা। গত ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৯৪ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১২ টাকা ২৬ পয়সা। 

লোকসানের কারণে ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২০-২১ বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ। আগের হিসাব বছরে ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। এছাড়া ২০১৮ হিসাব বছরে ২ শতাংশ নগদ, ২০১৭ হিসাব বছরে ১০ শতাংশ বোনাস, ২০১৬ হিসাব বছরে ১১ শতাংশ বোনাস ও ২০১৫ হিসাব বছরে ১৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা।