সম্প্রতি কাঁচামাল আমদানি করতে ঋণপত্র খোলার সুবিধার্থে মূল কোম্পানি জি অ্যান্ড এন ইনভেস্টমেন্টস (এশিয়া) লিমিটেডের সঙ্গে একটি ঋণ চুক্তি করার সিদ্ধান্ত নেয় বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের পর্ষদ। এরই মধ্যে এ প্রস্তাবে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডার) সম্মতি পেয়েছে দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বহুজাতিক কোম্পানিটি। এক মূল্যসংবেদনশীল তথ্যের মাধ্যমে গতকাল বিষয়টি জানিয়েছে রঙ উৎপাদক কোম্পানিটি।
তথ্য অনুসারে, এ চুক্তির আওতায় মূল কোম্পানির কাছ থেকে ক্রয়সংক্রান্ত প্রয়োজনে বিভিন্ন সময়ে ৬ কোটি ডলার ঋণ নেবে বার্জার পেইন্টস। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থারও অনুমোদন নেবে কোম্পাটি।
৩১ মার্চ সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৪০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে বার্জার পেইন্টসের পর্ষদ। ঘোষিত লভ্যাংশ ও আলোচ্য হিসাব বছরের অন্যান্য এজেন্ডায় শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন নিতে আগামী ২২ আগস্ট সকাল ১০টায় ভার্চুয়াল মাধ্যমে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করেছে কোম্পানিটি। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬ জুন।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশের সমন্বিত কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৩০১ কোটি ৫ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২৯০ কোটি ৭০ লাখ টাকা। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির নিট মুনাফা বেড়েছে ১০ কোটি ৩৫ লাখ টাকা বা ৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬৪ টাকা ৯১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬২ টাকা ৬৮ পয়সা। গত ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৭৯ টাকা ৭৮ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ২২৭ টাকা ৩৯ পয়সা।
৩১ মার্চ সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরের জন্য বিনিয়োগকারীদের ১০০ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ। এর আগে আলোচ্য হিসাব বছরের প্রথম নয় মাসের আর্থিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে শেয়ারহোল্ডারদের ৩০০ শতাংশ নগদ অন্তর্বর্তী লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী সমন্বিত নিট মুনাফা হয়েছে ২৯০ কোটি ৭০ লাখ টাকার বেশি। আগের হিসাব বছরে মুনাফা ছিল ২৬৬ কোটি ৯১ টাকার বেশি।










