চা ব্যবহারে আগের সব রেকর্ড ভেঙেছে তুরস্ক। করোনা মহামারীর মধ্যে দেশটির জনপ্রতি বার্ষিক চা ব্যবহার সাড়ে তিন কেজি থেকে বেড়ে চার কেজিতে উন্নীত হয়েছে। সম্প্রতি ইন্টারন্যাশনাল কফি কমিটি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

মহামারী প্রতিরোধে গৃহীত নানা বিধিনিষেধ ও কারফিউর কারণে ক্যাফে ও টি হাউজগুলোয় চায়ের ব্যবহার কমেছে। কিন্তু মহামারী চায়ের ব্যবহারে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে পারেনি। পানীয় পণ্যটির ব্যবহার আগের যেকোনো সময়কে ছাড়িয়ে গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছর প্রায় ২ লাখ ৭৫ হাজার টন চা ব্যবহার হয়েছে।

তুরস্কের কৃষ্ণ সাগরসংলগ্ন রাইজ প্রদেশ চায়ের রাজধানী হিসেবে খ্যাত। রাইজ শহরে অবস্থিত কমোডিটি এক্সচেঞ্জের প্রধান মেহমেত এরদোগান ডেমিরোরেন নিউজ এজেন্সিকে বলেন, চা পানের দিক থেকে আমরাই বিশ্বের শীর্ষ দেশ। একজন মানুষ দিনে গড়ে তিন থেকে পাঁচ গ্লাস চা পান করেন। তুরস্কের সরকারি তথ্য বলছে, একজন তুর্কি বছরে প্রায় ১ হাজার ৩০০ কাপ চা পান করেন। এ বিষয়ে এরদোগান গর্ব প্রকাশ করে বলেন, মহামারীর মধ্যে চলমান সংগ্রামে দমে যায়নি চা উৎপাদন। পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ব্যবহারও।