মালয়েশিয়ায় পাম অয়েলের মজুদ কমে চার মাসের সর্বনিম্নে নেমে গেছে। মূলত উৎপাদন ও আমদানিতে মন্দা ভাব দেশীয় মজুদে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। দেশটির পাম অয়েল বোর্ড এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
মালয়েশিয়া বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ পাম অয়েল উৎপাদক। দেশটির পাম অয়েল বোর্ডের (এমপিওবি) দেয়া তথ্যমতে, জুলাইয়ে পণ্যটির মজুদ ৭ দশমিক ৩ শতাংশ কমে ১৫ লাখ টনে ঠেকেছে। গত পাঁচ মাসে প্রথমবারের মতো মজুদ হ্রাসের ঘটনা ঘটেছে।
যদিও সম্প্রতি রয়টার্স এক সমীক্ষায় মালয়েশিয়ায় পাম অয়েলের মজুদ ১ দশমিক ৬ শতাংশ বৃদ্ধির কথা জানিয়েছিল। রয়টার্সের দেয়া তথ্য বলছে, জুলাইয়ের শেষে দেশটির পাম অয়েলের মজুদের পরিমাণ ছিল ১৬ লাখ ৪০ হাজার টন।
এমপিওবি জানায়, জুলাইয়ে মালয়েশিয়ার পাম অয়েল উৎপাদন ৫ দশমিক ১৭ শতাংশ কমে ১৫ লাখ ২০ হাজার টনে নেমেছে। এপ্রিলের পর এটিই সর্বনিম্ন উৎপাদন। বাজারসংশ্লিষ্টরা বলেন, করোনা মহামারী প্রতিরোধে নানা ধরনের বিধিনিষেধের কারণে দেশটিতে শ্রমিক সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। এতে করে পাম অয়েলের আবাদ দেরিতে শুরু হয়েছে। ফলে মাসভিত্তিক উৎপাদন কমেছে।
এদিকে জুলাইয়ে মালয়েশিয়া সব মিলিয়ে ১৪ লাখ ১০ হাজার টন পাম অয়েল রফতানি করে। জুনের তুলনায় রফতানি দশমিক ৭৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। পাশাপাশি আমদানি ৫২ শতাংশ কমে ৫৪ হাজার ৩৮১ টনে নেমেছে। মজুদ কমে যাওয়ায় দেশটির ফিউচার মার্কেটে বাড়ছে পাম অয়েলের দাম।










