তাইওয়ানের রফতানি আদেশ টানা দশম মাসের মতো সংকুচিত হয়েছে। ২০২২ সালের এ সময়ের তুলনায় চলতি বছরে রফতানি আদেশ ২৪ দশমিক ৯ শতাংশ কমে ৪৪ হাজার ১৮ কোটি ডলার হয়েছে। সব প্রধান পণ্যের ক্যাটাগরি ও বাণিজ্য গন্তব্যগুলোয় চাহিদা কমেছে। ইউরোজোন ৪৪ দশমিক ২ শতাংশ সর্বাধিক নিম্নমুখী হওয়ার রেকর্ড করেছে। নেতিবাচক প্রক্ষেপণযুক্ত কোম্পানিগুলো ইতিবাচক প্রক্ষেপণের চেয়ে বেশি হওয়ায় পরিস্থিতি আরো খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। চীন ও হংকংয়ের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার প্রত্যাশার চেয়ে ধীর ছিল। ফলে রফতানি আদেশে ১৯ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে। জাপান থেকে অর্ডার ১৭ শতাংশ কমেছে, তবে বিশ্বব্যাপী সরবরাহ চেইন পুনর্বিন্যাসের কারণে আসিয়ান বাজারগুলোয় ৩ দশমিক ১ শতাংশ মাঝারি মাত্রার পতনের সম্মুখীন হয়েছে। তথ্য, যোগাযোগ ও প্রযুক্তি পণ্য অর্ডার ২৭ দশমিক ৪ শতাংশ কমেছে এবং ইলেকট্রনিকস অর্ডার ২২ শতাংশ কমেছে। রাসায়নিক ও প্লাস্টিকের মতো নন-টেক পণ্যগুলোর জন্য মজুদ সংশোধনের গতি ৩০ শতাংশ অতিক্রম করেছে। দ্বিতীয় প্রান্তিকে রফতানি আদেশ ২০ দশমিক ৪ শতাংশ কমেছে, ফলে বছরের প্রথম ছয় মাসে বার্ষিক ২০ দশমিক ৮ শতাংশ কমেছে।