অতীতের মতো সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে যদি ঐকমত্য আসে তাহলে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল উত্তোলন কমাতে ওপেক প্লাসের আওতায় বিদ্যমান বৈশ্বিক উত্তোলন হ্রাসসংক্রান্ত চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হতে পারে। এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই জানালেন সৌদি আরবের জ্বালানিমন্ত্রী আবদুল আজিজ বিন সালমান আল সৌদ। খবর রয়টার্স ও অয়েলপ্রাইসডটকম।

বর্তমানে ওপেক প্লাস প্রতিদিন যে ৭৭ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেল উত্তোলন করছে আগামী জানুয়ারি থেকে তা কি দিনপ্রতি ৫৭ লাখ ব্যারেলে নামিয়ে আনবে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে এ উত্তর দেন সৌদি আরবের প্রভাবশালী এ মন্ত্রী।

এডিআইপিইসি সম্মেলনে আবদুলআজিজ বিন সালমান বলেন, ওপেক প্লাসের দেশগুলোর সঙ্গে সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে আমরা অপরিশোধিত জ্বালানি তেল উত্তোলন কমিয়েছি। এখানে উপস্থিত ও অনুপস্থিত সব মিত্র আশা করি একমত হবেন যে প্রয়োজনে আমরা জ্বালানি পণ্যটির উত্তোলন কমানোর বিষয়ে ফের সিদ্ধান্ত নিতে পারি।

আমরা মনে করি, তথাকথিত বিশ্লেষকদের পরামর্শ বাদ দিয়েই আমরা উত্তোলন কমানোর সিদ্ধান্ত নিতে পারি।

নভেল করোনাভাইরাসে সংক্রমিতের হার আকাশচুম্বী হওয়ায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ফের চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ হতে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে ওপেক ও তার মিত্র দেশগুলো অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের জোগান বাড়ানোর পথ থেকে পিছিয়ে যাবে বলেই মনে হচ্ছে।

অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের রফতানিকারক দেশগুলোর সংগঠন অর্গানাইজেশন অব দ্য পেট্রোলিয়াম এক্সপোর্টিং কান্ট্রিজ (ওপেক) ও রাশিয়াসহ ওপেক প্লাসের অন্যান্য সদস্যরা আরো এক প্রান্তিক জ্বালানি পণ্যটির উত্তোলন অপরিবর্তিত রাখতে চাচ্ছে বলে জানায় জেপি মরগ্যান।

উল্লেখ্য, আগামী ৩০ নভেম্বর ও ১ ডিসেম্বরে এক বৈঠকে বসতে যাচ্ছে ওপেক প্লাসের সদস্যরা। ওই বৈঠকে জ্বালানি তেলের বৈশ্বিক উত্তোলন হ্রাসসংক্রান্ত চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা হবে।