আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি থাকা অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের রেকর্ড দরপতনের বড় একটি কারণ। ফলে উত্তোলন সীমিত ও চাহিদা বৃদ্ধি করা ছাড়া জ্বালানি পণ্যটির বাজার ভারসাম্য ফেরানোর আর কোনো উপায় দেখছেন না বিশ্লেষকরা। এ পরিস্থিতি চলতি মাসের শেষ নাগাদ আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের চাহিদা পণ্যটির সরবরাহকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ওই সময় জ্বালানি পণ্যটির দামও বর্তমানের তুলনায় চাঙ্গা হয়ে উঠতে পারে। মার্কিন বিনিয়োগ ব্যাংক গোল্ডম্যান স্যাকসের এক প্রতিবেদনে এ সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। খবর অয়েলপ্রাইসডটকম।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিভিন্ন দেশের সংরক্ষণাগারে এখনো ১২০ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেল মজুদ রয়েছে। এসব জ্বালানি তেল ব্যবহার করতে দুই সপ্তাহ লেগে যেতে পারে। কেননা এরই মধ্যে লকডাউন থেকে বেরিয়ে এসে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে শুরু করেছে চীন। ইউরোপের দেশগুলোও একে একে লকডাউন থেকে বেরিয়ে আসছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মতো জ্বালানি তেলের শীর্ষ ভোক্তা দেশেও চলমান লকডাউন শেষের পথে। এতে চাহিদা বেড়ে জ্বালানি তেলের দাম চাঙ্গা হয়ে উঠবে।










