চীনে শীর্ষ সয়াবিন সরবরাহকারী দুই দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিল। প্রতি বছরই দেশ দুটি সেখানে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সয়াবিন রফতানি করে। তবে ২০২৩ সালে চীনে তেলবীজটি সরবরাহের ক্ষেত্রে ব্রাজিলের বাজার হিস্যা বেড়ে ৭০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। বিপরীতে কমেছে যুক্তরাষ্ট্রের হিস্যা। খবর বিজনেস রেকর্ডার।
চীনের শুল্ক বিভাগের তথ্য বলছে, ২০২৩ সালে ব্রাজিল থেকে বিপুল পরিমাণ সয়াবিন আমদানি করেছে চীন। আগের বছরের তুলনায় আমদানি বেড়েছে ২৯ শতাংশ। খাতসংশ্লিষ্টরা জানান, ব্রাজিল সয়াবিনের বিশ্ববাজারে অবস্থান আরো শক্ত করছে। বিশেষ করে শীর্ষ আমদানিকারক চীনে বাজার সম্প্রসারণে মনোযোগ দিচ্ছে দেশটি।
গত বছর ব্রাজিল থেকে ৬ কোটি ৯৯ লাখ ৫০ হাজার টন সয়াবিন আমদানি করে চীন। বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা হয় ২ কোটি ৪১ লাখ ৭০ হাজার টন। দেশটি থেকে আমদানি ১৩ শতাংশ কমেছে।
বছরজুড়ে চীন মোট ৯ কোটি ৯৪ লাখ ১০ হাজার টন সয়াবিন আমদানি করেছে। এর মধ্যে বড় একটি অংশই এসেছে ব্রাজিল থেকে। লাতিন আমেরিকার দেশটি প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় কম দামে সয়াবিন বিক্রি করছে। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে পশুপালন খাতের জন্য দেশটি থেকে আমদানি বাড়িয়েছে চীন। এছাড়া ব্রাজিলে বাম্পার ফলনও আমদানি বাড়াতে সহায়তা করেছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের হিসাব অনুযায়ী, সয়াবিন আমদানিতে চীনে ব্রাজিলের বাজার হিস্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭০ শতাংশে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের হিস্যা কমে ২৪ শতাংশে নেমে গেছে।
শুধু ডিসেম্বরেই ব্রাজিল থেকে আমদানি ৯৪ শতাংশ বেড়েছে। আমদানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৯ লাখ ৮০ হাজার টনে। অন্যদিকে একই সময় যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি ৩১ শতাংশ কমে ৩৮ লাখ ৫০ হাজার টনে নেমেছে।
চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে চীনের সয়াবিন আমদানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২০ শতাংশ কমে যাওয়ায় আশঙ্কা রয়েছে।










