জ্বালানি তেলের দাম গত কয়েক বছরের মধ্যে গতকাল সর্বোচ্চে পৌঁছেছে, যা সপ্তাহের মধ্যে তৃতীয়বারের মতো দাম বৃদ্ধির ঘটনা। কভিড-১৯-এর টিকা প্রয়োগের কারণে করোনাভাইরাস সংক্রান্ত বিধিনিষেধ শিথিল হওয়া এবং ইউরোপ, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রে চাহিদা পুনরুদ্ধারের কারণে দাম বৃদ্ধির এ ঘটনা ঘটেছে। খবর রয়টার্স।

ব্রেন্ট ক্রুডের ভবিষ্যৎ সরবরাহ মূল্য ব্যারেলপ্রতি ২১ সেন্ট বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৭২ ডলার ৭৩ সেন্টে। ২০১৯ সালের মে মাসের পর থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এটিই ছিল সর্বোচ্চ দাম। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের ভবিষ্যৎ সরবরাহ মূল্য ব্যারেলপ্রতি ১৭ সেন্ট বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৭০ ডলার ৪৬ সেন্টে। বৃহস্পতিবার দাম বৃদ্ধির পর ২০১৮ সালের অক্টোবরের পর এটিই ডব্লিউটিআই ক্রুডের সর্বোচ্চ দামের রেকর্ড।

মার্কিন বিনিয়োগ ব্যাংক গোল্ডম্যান স্যাকস আশা করছে, গ্রীষ্মে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ৮০ ডলারে পৌঁছাবে। বিশ্বব্যাপী কভিড-১৯-এর টিকা প্রয়োগের ফলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাবে। যার কারণে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম বৃদ্ধির এ ঘটনা ঘটবে বলে আশা করছে গোল্ডম্যান স্যাকস।

নিজেদের মাসিক প্রতিবেদনে দি ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি জানায়, ওপেক প্লাসের জ্বালানি তেল উত্তোলনের পরিমাণ আরো বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। ২০২২ সালের শেষ নাগাদ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কভিড পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরে যেতে পারে। ফলে তখন বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের চাহিদাও আরো বৃদ্ধি পাবে। ওপেক প্লাসের উচিত তাদের খনিগুলোকে আরো বেশি উত্তোলন সক্ষম করে তোলা, যাতে বৈশ্বিক জ্বালানি তেল সরবরাহে পর্যাপ্ততা বজায় থাকে।