পূর্বাভাসের তুলনায় চলতি বছর দ্রুত পুনরুদ্ধার হচ্ছে এশিয়ার উন্নয়নশীল অর্থনীতিগুলো। তবে এ দেশগুলোর পুনরুদ্ধারের পথটি আলাদা বলে জানিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)।

 

গতকাল প্রকাশিত এশিয়ান ডেভলপমেন্ট আউটলুক শীর্ষক প্রতিবেদনে এডিবি জানিয়েছে, চলতি বছর এ অঞ্চলের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ৭ দশমিক ৩ শতাংশ বাড়বে। এটা গত ডিসেম্বরে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ পূর্বাভাসের চেয়ে বেশি। খবর ব্লুমবার্গ।

 

কভিড-১৯ মহামারীজনিত কারণে গত বছর শূন্য দশমিক ২ শতাংশ সংকোচনের পর দ্রুত পুনরুদ্ধারের দিকে আগাচ্ছে এশিয়ার অর্থনীতি। এডিবি ২০২২ সালে এশিয়ায় ৫ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে।

 

এডিবির প্রধান অর্থনীতিবিদ ইয়াসুকি সোয়াদা বলেন, এ অঞ্চলের অর্থনীতিগুলো ভিন্ন পথে চলছে। দেশগুলোর অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার কভিড-১৯ এর সংক্রমণের পরিমাণ, টিকাদান কার্যক্রমের গতি এবং বিশ্বজুড়ে পুনরুদ্ধার থেকে তারা কতটা উপকৃত হচ্ছে, তার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।

 

ম্যানিলাভিত্তিক ঋণদানকারী সংস্থাটি বলেছে, শক্তিশালী রফতানি ও গ্রাহকব্যয় পুনরুদ্ধার এ বছর চীনের অর্থনীতিকে ৮ দশমিক ১ শতাংশ বাড়তে সহায়তা করবে। এটা আগের ৭ দশমিক ৭ শতাংশ পূর্বাভাসের চেয়ে বেশি। এছাড়া পরের বছর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিটি ৫ দশমিক ৫ শতাংশ বাড়বে বলে জানিয়েছে এডিবি।

 

২০২২ সালের মার্চে শেষ হওয়া অর্থবছরে ভারতের জিডিবি ১১ শতাংশ বাড়বে। তবে দেশটিতে করোনাভাইরাসের সাম্প্রতিক প্রাদুর্ভাব এ পুনরুদ্ধারকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।

 

এ বছর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জিডিপি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৪ দশমিক ৪ শতাংশ কমানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন ও থাইল্যান্ডে মত দেশ।

 

ইয়াসুকি সোয়াদা বলেন, এ পূর্বাভাসের জন্য সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য হুমকি হলো কভিড-১৯ মহামারীর প্রতিকূল বিবর্তন। সরকারগুলোর দেয়া বিপুল পরিমাণ প্রণোদনা মহামারীর আঘাতকে কমিয়ে দিয়েছে। তবে এটা ঋণের বোঝাও বাড়িয়ে তুলেছে।