আফ্রিকার খনিজ শিল্পে যৌথভাবে বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে জাপান ও যুক্তরাজ্য। অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও সরবরাহ চেইন নিয়ে মন্ত্রী পর্যায়ে আলোচনা অব্যাহত আছে। দেশ দুটি একসঙ্গে আফ্রিকার খনিজ শিল্পের উন্নয়ন, ঝুঁকি ও খরচ কমিয়ে আনা নিয়ে কাজ করবে। খবর নিক্কেই এশিয়া।
জাপানের বাণিজ্যমন্ত্রী ইয়াসুতোশি নিশিমুরা বুধবার ব্রিটিশ বাণিজ্যমন্ত্রী কেমি ব্যাডেনকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। সেখানে যুক্তরাজ্য ও জাপানের যৌথ অর্থনৈতিক উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হবে। আলোচনাটি এমন সময় হতে যাচ্ছে, যখন কোবাল্ট ও নিকেলের খনিগুলো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে পরিবেশের অনুকূল শক্তির উৎস হিসেবে। জাপান বর্তমানে খনিজের জন্য চীনের ওপর নির্ভরশীল। নতুন চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে জাপান আফ্রিকায় খনিজ অনুসন্ধান চালাবে এবং সরবরাহ চেইনে উন্নয়ন আনবে।
আফ্রিকা এবং জাম্বিয়া কপার ও নিকেল উৎপাদনের জন্য সুপরিচিত। অন্যদিকে, কঙ্গো বিশ্বের ৭০ শতাংশ কোবাল্টের সরবরাহ করে। অনেক দেশই দিনকে দিন মালি ও ঘানার প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠছে। যুক্তরাজ্য আগস্টে জাম্বিয়ার সঙ্গে ৩০০ কোটি পাউন্ড বিনিয়োগের ব্যাপারে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। পৃথকভাবে যুক্তরাজ্য দক্ষিণ আফ্রিকায় খনিজ অনুসন্ধান নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
জাপান এককভাবেই আফ্রিকার দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক শক্তিশালী করছে। আগস্টে নিশিমুরা আফ্রিকার পাঁচটি দেশে সফর করেছেন।
জাপান ও যুক্তরাজ্য আফ্রিকায় চীনের প্রভাব কমিয়ে আনতে বদ্ধপরিকর। আফ্রিকা আন্তর্জাতিক মহলে রাজনৈতিকভাবেই গুরুত্বপূর্ণ। সেখানকার খনিজ শিল্প ও অবকাঠামোয় ব্যাপকভাবে বিনিয়োগ করেছে। তবে খনিজ শিল্প ছাড়িয়েও জাপান ও যুক্তরাজ্য সেমিকন্ডাক্টর নিয়েও কাজ করবে অদূর ভবিষ্যতে।










