পোশাক রফতানি বাড়াতে ইন্দোনেশিয়ার সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।
গতকাল বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত হেরু হারতান্তো সুবোলোর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এ সহযোগিতা চান বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান।
সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তারা পোশাক ও বস্ত্র খাতের ওপর বিশেষ জোর দিয়ে দুদেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্ক বাড়ানোর উপায়গুলো নিয়ে আলোচনা করেন। আলোচনায় পারস্পরিক বাণিজ্য-সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত ছিল। উভয় পক্ষই পারস্পরিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ সম্ভাবনাগুলোকে সম্পূর্ণরূপে কাজে লাগানোর জন্য একসঙ্গে কাজ করে নতুন উপায়গুলো চিহ্নিত করার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, ‘পোশাকের বৈচিত্র্যকরণ, বিশেষ করে ম্যান-মেড ফাইবার ব্যবহার করে উচ্চ মূল্যের পোশাক উৎপাদনে বাংলাদেশ মনোযোগ বাড়িয়েছে। বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়া থেকে ম্যান-মেড ফাইবার আমদানি করতে পারে।’
রাষ্ট্রদূতের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘পারস্পরিকভাবে লাভজনক অংশীদারত্বের সম্ভাবনার ওপর জোর দিয়ে বাংলাদেশে ম্যান-মেড টেক্সটাইল খাতে ইন্দোনেশিয়ার ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগে উৎসাহিত করুন।’ তিনি ইন্দোনেশিয়ার বাজারে পোশাক রফতানি বাড়াতে আগ্রহ প্রকাশ এবং এ বিষয়ে রাষ্ট্রদূতের সহযোগিতা কামনা করেন।
ফারুক হাসান বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউএফটি) এবং ইন্দোনেশিয়ান ফ্যাশন ইনস্টিটিউটের মধ্যে সহযোগিতা প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রদূতকে সহযোগিতা দেয়ার জন্যও অনুরোধ করেন। এর লক্ষ্য হলো ফ্যাশন ডিজাইন, পণ্য উন্নয়ন, প্রযুক্তি এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক ক্ষেত্রে বিইউএফটির শিক্ষার্থীদের জ্ঞান এবং দক্ষতা বাড়ানো।










