চলতি মৌসুমে চাল উৎপাদনে বড় প্রবৃদ্ধি এসেছে ইন্দোনেশিয়ার। ঊর্ধ্বমুখী উৎপাদন স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে মজুদ পরিপূর্ণ রাখতে সক্ষম হবে। ফলে এ বছর চাল আমদানিনির্ভরতা শূন্যের কোটায় নেমে আসবে বলে প্রত্যাশা করছে ইন্দোনেশিয়ার সরকার। দেশটির বাণিজ্যমন্ত্রী মুহাম্মাদ লুতফি স্থানীয় গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর রয়টার্স ও এগ্রিকালচারডটকম।
এশিয়ার অন্যান্য দেশের মতো ইন্দোনেশিয়ায়ও করোনার প্রকোপ বেড়েছে। লকডাউনসহ নানা বিধিনিষেধের মধ্যে চালের বাজারদর সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে রাখতে কাজ করছে দেশটির সরকার।
ইন্দোনেশিয়ার খাদ্য সংগ্রহকারী সংস্থা বুলগ। মূল্যস্ফীতি রুখতে চালের দাম বেড়ে গেলে সংস্থাটি নিজস্ব মজুদ থেকে স্থানীয় বাজারে চাল সরবরাহ করে। মুহাম্মাদ লুতফি বলেন, বুলগের কাছে ১৩ লাখ ৯০ হাজার টন চালের মজুদ রয়েছে। ১২ মাস চালের দাম স্থিতিশীল রাখতে এ মজুদই যথেষ্ট।
তিনি আরো বলেন, চলতি বছর চাল উৎপাদন গত বছরের তুলনায় বড় কলেবরে বেড়েছে। বছর শেষে উৎপাদিত চালের পরিমাণ দাঁড়াবে ৩ কোটি ৩০ লাখ টন। এছাড়া জাতীয় মজুদও সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে। ফলে আমরা চলতি বছর চাল আমদানির কথা ভাবছি না।










