২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে চলতি মার্চ পর্যন্ত বাস্তবায়িত এ প্রকল্পের অর্জন, শিক্ষণীয় বিষয়, প্রতিবন্ধকতা এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের অভিমত তুলে ধরাই ছিল এ আয়োজনের উদ্দেশ্য।
অনুষ্ঠানের সম্মানিত অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের পলিসি সাপোর্ট অধিশাখার যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম মজুমদার। তিনি বলেন, ‘আজকের এ আয়োজনে অনেক বিষয় উঠে এসেছে, সেটাই আমাদের পলিসিতে উঠে আসবে এবং পরবর্তী সময়ে পলিসি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।’
অনুষ্ঠানে অতিথিদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকার সুইডেন দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি (পরিবেশ ও জলবায়ু) ও উন্নয়ন সহযোগিতার উপপ্রধান নায়োকা মার্টিনেজ-ব্যাকস্ট্রম এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রধান সমাজকল্যাণ ও বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুন-উল-হাসান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ওয়াটারএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর হাসিন জাহান। এ সময় তিনি সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘ওয়াটারএইডের কার্যক্রমে উদ্বুদ্ধ হয়ে শিক্ষা অধিদপ্তর নিজস্ব অর্থায়নে স্কুল পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইতিবাচক ওয়াশ-আচরণ পরিবর্তনে বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়েছে।’ এছাড়া তিনি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, ওয়াসা, সিটি করপোরেশন ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বয়ে জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রমাণভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সমন্বিত গবেষণা পরিচালনার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ওয়াটারএইড বাংলাদেশের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ও কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স ডিরেক্টর আজমান আহমেদ চৌধুরী। এরপর প্রকল্প নিয়ে আনুষ্ঠানিক উপস্থাপনা প্রদান করেন ওয়াটারএইড বাংলাদেশের প্রোগ্রাম ও পলিসি অ্যাডভোকেসি ডিরেক্টর পার্থ হেফাজ শেখ। এছাড়া একটি উন্মুক্ত আলোচনা পর্ব পরিচালনা করেন ওয়াটারএইড বাংলাদেশের পলিসি ও অ্যাডভোকেসি লিড ফয়জউদ্দীন আহমদ।










