খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের কোম্পানি জেমিনি সি ফুড লিমিটেডের ৫৮ কোটি ৭৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা মূল্যমানের শেয়ার গত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছে। এ লেনদেন নিয়ে আলোচ্য সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সর্বোচ্চ লেনদেনের তালিকায় সপ্তম অবস্থানে রয়েছে কোম্পানিটি। স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। 

তথ্য অনুসারে, গত সপ্তাহে ডিএসইতে জেমিনি সি ফুডের মোট ৭ লাখ ৩০ হাজার ২৭০টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আলোচ্য সপ্তাহে ডিএসইর মোট লেনদেনে কোম্পানিটির অবদান ছিল ২ দশমিক ২৪ শতাংশ। কোম্পানিটির শেয়ারদর এ সময়ে ১ দশমিক ৩২ শতাংশ বেড়েছে। 

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) জেমিনি সি ফুডের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৫ টাকা ৩০ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৫ টাকা ১৬ পয়সা। গত ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা ৩৮ পয়সায়।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ৪০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে জেমিনি সি ফুড। এর মধ্যে ১০ শতাংশ নগদ (উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে) ও ৩০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ রয়েছে। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১২ টাকা ৪৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭২ পয়সা। গত বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৩ টাকা ১০ পয়সায়।

৩০ জুন সমাপ্ত ২০২০-২১ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে অন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে জেমিনি সি ফুড। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েচে ৭২ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লেকাসান ছিল ৯ টাকা ৮৩ পয়সা। 

২০১৯-২০ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। ২০১৮-১৯ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয় তারা। ২০১৭-১৮ হিসাব বছরে ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। ২০১৬-১৭ হিসাব বছরের জন্য ১২৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা।

১৯৮৫ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত জেমিনি সি ফুডের অনুমোদিত মূলধন ৪০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৬ কোটি ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ৬১ লাখ ৫ হাজার ২০৬। এর মধ্যে ৩০ দশমিক শূন্য শূন্য ১ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, ৮ দশমিক ৭০ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, দশমিক ৪১ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগকারী ও বাকি ৬০ দশমিক ৮৮ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে। গত এক বছরে শেয়ারটির দর ৩৩০ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ৯৬১ টাকার মধ্যে ওঠানামা করেছে।