ফিউচার মার্কেটে মালয়েশিয়ান পাম অয়েলের দাম গতকাল টানা চতুর্থ দিনের মতো কমেছে। মালয়েশিয়ান পাম অয়েল বোর্ডের প্রকাশিত সরবরাহ ও চাহিদার তথ্যকে কেন্দ্র করে পণ্যটির বাজার নিম্নমুখী হয়ে ওঠে। এছাড়া প্রতিদ্বন্দ্বী ভোজ্যতেলের দাম কমে যাওয়ার বিষয়টিও বাজারকে প্রভাবিত করেছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার। 

বুরসা মালয়েশিয়া ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জে নভেম্বরে সরবরাহ চুক্তিতে পাম অয়েলের দাম ১ দশমিক ২৯ শতাংশ বা ৫০ রিঙ্গিত কমেছে। প্রতি টনের মূল্য স্থির হয়েছে ৩ হাজার ৮৩১ রিঙ্গিতে। 

আগস্ট শেষে মালয়েশিয়ায় পাম অয়েলের মজুদ বেড়ে ছয় মাসের সর্বোচ্চে পৌঁছেছে। মজুদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ৯০ হাজার টনে। উৎপাদন বাড়ার পাশাপাশি রফতানি কমে যাওয়ায় মজুদ ঊর্ধ্বমুখী। বিষয়টি দাম কমে যাওয়ার পেছনে প্রধান ভূমিকা রেখেছে।

ডলিয়ান এক্সচেঞ্জে সয়াবিন তেলের সরবরাহ চুক্তি মূল্য ১ দশমিক ৪০ শতাংশ কমেছে। সেখানে পাম অয়েলের দাম কমেছে ২ দশমিক ৯ শতাংশ। শিকাগো বোর্ড অব ট্রেডে সয়াবিন তেলের দাম দশমিক ৭৪ শতাংশ কমেছে।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, পাম অয়েলের শীর্ষ ক্রেতা দেশ ভারত পণ্যটির আমদানি বাড়াচ্ছে। অক্টোবর শেষে আমদানি রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছতে পারে। এ বিষয় আগামীতে দাম বাড়াতে সহায়তা করবে।