সন্দেহজনক ক্রেতাদের নামসহ বিস্তারিত তথ্য চেয়ে সদস্যদের চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। শনিবার সদস্যদের পাঠানো এ চিঠিতে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনার জন্য বলা হয়।
চিঠিতে বলা হয়, কিছুসংখ্যক বৈদেশিক ক্রেতাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিজিএমইএর অনেক সদস্য প্রতিষ্ঠান বিভিন্নভাবে প্রতারিত হচ্ছে। প্রতারণা করেছে এমন ক্রেতাদের বিরুদ্ধে প্রমাণ সাপেক্ষে তাদের তালিকা প্রকাশ এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
হঠাৎ এমন সিদ্ধান্তের কারণ জানতে চাইলে বিজিএমইএর সভাপতি এমএ মান্নান কচি বণিক বার্তাকে বলেন, ‘কিছু ক্রেতা বিভিন্ন বড় কোম্পানির নামে জাল কাগজ তৈরি করে ক্রয়াদেশ দিয়ে পণ্য নিয়েছে। কিন্তু টাকা পরিশোধ করেনি। এভাবে ব্যবসায়ীদের কয়েকশ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। আমরা বিস্তারিত প্রমাণাদিসহ ওইসব ক্রেতার তালিকা করছি। কিছু প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে প্রমাণ আমাদের হাতে আছে। অনেক ক্রেতা আছেন যারা প্রতারণার শিকার হওয়ার পর আমাদের কাছে আসেন না। তাই চিঠি দিয়ে এ বিষয়ে জানানোর জন্য বলা হয়েছে। এটা সন্দেহজনক নয়, বিস্তারিত প্রমাণসহ তালিকা করে সেটি প্রকাশ করা হবে। এ প্রতারণার ঘটনাগুলো করোনা মহামারীর সময় থেকে বেশি ঘটে আসছে। তালিকা প্রকাশ করে তাদের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নেব।’
সদস্যদের দেয়া ওই চিঠিতে বিজিএমইএ বলেছে, কিছুসংখ্যক বৈদেশিক ক্রেতাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিজিএমইএর অনেক সদস্যপ্রতিষ্ঠান বিভিন্নভাবে প্রতারিত হচ্ছে। এভাবে যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো সদস্যপ্রতিষ্ঠান প্রতারিত না হয়, তা নিরসনের জন্য বিজিএমইএ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে যাচ্ছে। আপনারা যেসব বৈদেশিক ক্রেতার সঙ্গে ব্যবসা চলমান রাখতে চান না কিংবা যাদের সন্দেহজনক মনে হয় বা সত্যিকার অর্থে যারা প্রতারণা করেছে তাদের নাম ও তাদের তথ্যাদি বিস্তারিতভাবে আগামী ১৬ মের মধ্যে পাঠাতে বিনীতভাবে অনুরোধ করা হলো। যারা প্রতারিত হয়েছেন এ বিষয়ে বিজিএমইএ পরবর্তী সময়ে তাদের থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি সংগ্রহ করবে।’ বিজিএমইএ মহাসচিব মো. ফয়জুর রহমান স্বাক্ষরিত এ চিঠিতে সদস্যপ্রতিষ্ঠানগুলোকে বিষয়টি অতি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনার জন্য বলা হয়।










