বিধিমালাটি ‘‌ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (সেটলমেন্ট অব ডিসপিউট) রেগুলেশনস, ২০২৬’ নামে গত ১০ ফেব্রুয়ারি গেজেটে প্রকাশিত হয়েছে।

নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ বিরোধ সৃষ্টির তারিখ থেকে সর্বোচ্চ তিন বছরের মধ্যে দাবি দাখিল করতে পারবে। বিপরীত পক্ষকে ২০ দিনের মধ্যে জবাব দিতে হবে। দাবিদার জবাবে সন্তুষ্ট না হলে মধ্যস্থতা বা সালিশির আবেদন করবেন।

মধ্যস্থতার জন্য প্রধান নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা একজন সহকারী মহাব্যবস্থাপক নিয়োগ করবেন। এর ১০ দিনের মধ্যে বৈঠক আহ্বান করা হবে। প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ৩০ দিনের সময় দেয়া হবে। মধ্যস্থতায় সমাধান না হলে বিষয়টি সালিশিতে যাবে।

সালিশি প্রক্রিয়ায় দাবিদার আবেদন ও স্টেটমেন্ট অব ক্লেইম দাখিল করবেন। বিপরীত পক্ষ স্টেটমেন্ট অব ডিফেন্স জমা দেবেন। ৪৫ দিনের মধ্যে শুনানি শেষ হবে। রায় ২১ দিনের মধ্যে লেখা হবে। রায়ের বিরুদ্ধে ১৫ দিনের মধ্যে বিএসইসিতে আপিল করা যাবে। কমিশন ৩০ দিনের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি করবে।

ডিএসইর রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স কমিটি ১৮০ দিনের মধ্যে সালিশকর্তাদের প্যানেল গঠন করবে। সালিশি আবেদনের ফি দাবির মোট অর্থের দশমিক ১০ শতাংশ (ন্যূনতম ৫ হাজার ও সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা)। খরচের মধ্যে সাক্ষী ব্যয়, বিশেষজ্ঞ সম্মানী, আইনি ব্যয়, প্রশাসনিক চার্জ ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত থাকবে।