ফিউচার মার্কেটে গতকাল মালয়েশীয় পাম অয়েলের দাম বেড়েছে। ভোজ্যতেলটির শীর্ষ রফতানিকারক দেশ ইন্দোনেশিয়ার নতুন সিদ্ধান্তের প্রভাবে বাজার চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ইন্দোনেশীয় এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে পাম অয়েল রফতানি করার বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহার করার খবরে বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। খবর রয়টার্স।
বুরসা মালয়েশিয়া ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জে গতকাল ডিসেম্বরে সরবরাহ চুক্তিতে বাজার আদর্শটির দাম বেড়েছে ২১ রিঙ্গিত বা দশমিক ৫৯ শতাংশ। প্রতি টনে দাম উঠেছে ৩ হাজার ৫৭২ রিঙ্গিত বা ৭৫৭ ডলার ১০ সেন্টে। এ সপ্তাহের শুরুতেও পাম অয়েলের দাম ৩ হাজার ৫২০ রিঙ্গিতে নেমেছিল, যা গত ২৩ জুনের পর সর্বনিম্ন রেকর্ড।
ইন্দোনেশিয়া আগামী শুক্রবার থেকে অপরিশোধিত পাম অয়েল (সিপিও) বিক্রির জন্য ফিউচার এক্সচেঞ্জ চালু করবে। তবে এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে বিক্রি বাধ্যতামূলক নয় বলে জানিয়েছেন ফিউচারস মার্কেট নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রধান।
কুয়ালালামপুর ও রটারডামের মতো নিজস্ব বাজার আদর্শ তৈরির লক্ষ্যে এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে সিপিও পণ্য বিক্রি বাধ্যতামূলক করা হবে। এর আগে এমন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল ইন্দোনেশিয়া। এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে বিক্রি বাধ্যতামূলক করা হলে দরকষাকষির সুযোগ হারাবেন বিক্রেতারা। এমন আশঙ্কায় দ্রুত গুদাম খালি করার তাগাদা দেখা দেয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে। দ্রুত পণ্য খালাস করার প্রবণতায় পণ্যটির দামে নিম্নমুখী প্রভাব পড়ে।
মুম্বাইভিত্তিক উদ্ভিজ্জ তেলের ব্রোকারেজ সানভিন গ্রুপের গবেষণা প্রধান অনিলকুমার বাগানি জানান, এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে বিক্রি করার বাধ্যবাধকতা তুলে নেয়ায় গুদাম খালি করার হিড়িক কমেছে। তাই দরকষাকষির সুযোগ থাকায় দামও বাড়তে শুরু করেছে।










