নরওয়েজিয়ান জ্বালানি খাতে চলমান শ্রমিক ধর্মঘট নিয়ে সরকারের বক্তব্য হলো, এ সংকটের সুরাহা করতে হবে শ্রমিক ইউনিয়ন আর জ্বালানি খাতের কোম্পানিগুলোকেই। বৃহস্পতিবার নরওয়ের শ্রম মন্ত্রণালয় রয়টার্সকে এ কথা বলেছে। খবর রয়টার্স।
ই-মেইলে পাঠানো এক বিবৃতিতে নরওয়ের শ্রম মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘ধর্মঘট একটি বৈধ প্রক্রিয়া। এ পরিস্থিতিতে সমাধান খুঁজে বের করার দায়িত্ব নিতে হবে এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকেই। শ্রম মন্ত্রণালয় এ ধর্মঘটের ওপর স্বাভাবিক উপায়েই নজর রাখছে।’
নরওয়ের জ্বালানি সেক্টরে ধর্মঘটের ঘটনা এই প্রথম নয়। ২০১২ সালেও এ দেশটির জ্বালানি সেক্টরে বড় ধরনের ধর্মঘট করেছিলেন শ্রমিকরা। তখন নিয়োগকর্তা কোম্পানিগুলো শ্রমিকদের বহিষ্কারের হুমকি দিচ্ছিল। ওই সময় সরকার জরুরি ক্ষমতাবলে জ্বালানি শিল্পের বিবাদের সমাপ্তি টেনেছিল। তার আগে কোম্পানিগুলোর মালিকপক্ষ আর শ্রমিকদের মধ্যে টানাপড়েনে গোটা নরওয়ের তেল ও গ্যাস শিল্প স্থবির হয়ে পড়েছিল।
এ ধর্মঘটের কারণে নরওয়ে থেকে তেল ও গ্যাস সরবরাহ অন্তত ২৫ শতাংশ কমে গেছে।










