এ সিদ্ধান্ত গতকাল থেকে কার্যকর হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্যানুসারে, রহিমা ফুডে নারকেল তেল উৎপাদন ইউনিট গত বছরের জুলাই থেকে ও কাজুবাদাম প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট আগস্ট থেকে বন্ধ রয়েছে। এদিকে ক্যাটাগরি পরিবর্তনের কারণে ডিএসই থেকে সব ব্রোকার হাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংককে কোম্পানিটির শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের ঋণ সুবিধা না দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) রহিমা ফুডের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১৪ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১৬ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৯ টাকা ২৯ পয়সায়।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে রহিমা ফুডের ইপিএস হয়েছে ৫৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৯ টাকা ৪৩ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে রহিমা ফুডের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৩৮ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে রহিমা ফুডের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৩১ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী বাদে শুধু সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে রহিমা ফুডের ইপিএস হয়েছে ২৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৯ টাকা ৫৩ পয়সায়।

রহিমা ফুড করপোরেশনের অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ২০ কোটি টাকা। পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ৭৬ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ২ কোটি ২০০। এর ৩৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৬ দশমিক ৪২ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৫৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।