বস্ত্র খাতের কোম্পানি আনলিমা ইয়ার্ন ডায়িং লিমিটেডের চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) নিট লোকসান বেড়েছে ২৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট লোকসান হয়েছে ২ কোটি ৮২ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ কোটি ২১ লাখ টাকা। কোম্পানিটির এক মূল্যসংবেদনশীল তথ্যের মাধ্যমে বিষয়টি জানা গেছে।

তথ্যানুসারে, চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে আনলিমা ইয়ার্নের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৫৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ২৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪ টাকা ৫ পয়সায়।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে আনলিমা ইয়ার্নের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২ টাকা ৯৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৮০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫ টাকা ৬৩ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে আনলিমা ইয়ার্নের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৮০ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৮ টাকা ৬২ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে আনলিমা ইয়ার্নের শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৮ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ১৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৪২ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে আনলিমা ইয়ার্নের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১৮ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৫ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৩৪ পয়সায়।

আনলিমা ইয়ার্নের সর্বশেষ সার্ভিল্যান্স এনটিটি রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘বিবিবি প্লাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-৩’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিংস লিমিটেড (এনসিআর)।

১৯৯৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আনলিমা ইয়ার্নের অনুমোদিত মূলধন ২০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৭ কোটি ৮৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা। পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ২ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১ কোটি ৭৮ লাখ ৬৭ হাজার ৮০০। এর ৪৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৫ দশমিক ৪৫ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৫০ দশমিক ১২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।