এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশব্যাপী তিন মাসব্যাপী বিশেষ ‘ডিজিটাল সচেতনতা ক্যাম্পেইন’ শুরু হয়েছে। ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচালিত এ ক্যাম্পেইনে সাধারণ নাগরিক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এমএ মুহিত।
গতকাল এক বার্তায় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কেবল প্রশাসনিক উদ্যোগ বা কীটনাশক ছিটিয়ে ডেঙ্গু পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়, এজন্য প্রয়োজন প্রতিটি মানুষের ব্যক্তিগত ও সামাজিক সচেতনতা।’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যাপক প্রভাবের কথা উল্লেখ করে ড. মুহিত বলেন, ‘জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সময়োপযোগী তথ্যের প্রচারই পারে ডেঙ্গুর ঝুঁকি উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনতে।’
বিশেষ করে তিনি তরুণ সমাজ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ইনফ্লুয়েন্সারদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। ডেঙ্গু নিয়ে সচেতনতামূলক কনটেন্ট, রিলস, স্টোরি আপলোড ও শেয়ারের মাধ্যমে ব্যাপক ক্যাম্পেইনের ডাক দেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এরই মধ্যে অনেক কনটেন্ট ক্রিয়েটর ডেঙ্গু সচেতনতা ক্যাম্পেইনে যুক্ত হয়েছেন।
আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্যবিধ ড. মুহিত উল্লেখ করেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয়, জমা পানি পরিষ্কার রাখা এবং ডেঙ্গুর লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেয়ার মতো জরুরি বার্তাগুলো কনটেন্ট ক্রিয়েটররা নিজেদের সৃজনশীল ভিডিও, ইনফোগ্রাফিক ও পোস্টের মাধ্যমে সহজে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারেন। সচেতনতামূলক কনটেন্ট তৈরির মাধ্যমে সবাই এ-জাতীয় উদ্যোগে ভূমিকা রাখতে পারেন।
আগামী তিন মাস এ ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের আওতায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, ডেঙ্গুর লক্ষণ ও প্রাথমিক চিকিৎসা-সংক্রান্ত তথ্য ব্যাপকভাবে প্রচার করা হবে। নাগরিকদের নিজ নিজ বাড়ি, আঙিনা ও কর্মক্ষেত্র পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি সচেতনতামূলক বার্তা ভার্চুয়াল পরিসরে ছড়িয়ে দেয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।









