পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স (এনসিসি) ব্যাংক লিমিটেডের উদ্যোক্তা এমএ কাশেম তার কাছে থাকা কোম্পানিটির ১ লাখ শেয়ার তার স্ত্রী মুনিরা বেগম মুন্নীর কাছে হস্তান্তর করবেন। স্টক এক্সচেঞ্জের ট্রেডিং সিস্টেমের বাইরে উপহার হিসেবে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে তিনি এ শেয়ার হস্তান্তর করবেন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।

সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৩ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৫০ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৪৯ পয়সা। চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ৭৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময় যা ছিল ৮২ পয়সা। চলতি বছরের ৩০ জুন শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৩ টাকা ১ পয়সায়। গত বছরের একই সময় যা ছিল ২২ টাকা ৩৬ পয়সা। 

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৫০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৪৭ পয়সা। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২১ টাকা ৯০ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ২১ টাকা ১১ পয়সা। সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৫ শতাংশ স্টক ও ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল ব্যাংকটি।  

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ১৬ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে এনসিসি ব্যাংক। এর মধ্যে ১২ শতাংশ নগদ ও ৪ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ রয়েছে। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৪৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে একই সময় যা ছিল ২ টাকা ২০ পয়সা। 

২০০০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া এনসিসি ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ১৪০ কোটি ৪২ লাখ ৩০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১ হাজার ২০৫ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১১১ কোটি ৪ লাখ ২৩ হাজার ৯৬। 

এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে রয়েছে ৩৭ দশমিক ৬১ শতাংশ শেয়ার। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ২৩ দশমিক ২৩ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের হাতে দশমিক ৪৮ শতাংশ এবং বাকি ৩৮ দশমিক ৬৮ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।