চীনে জাপানের সামুদ্রিক খাবার রফতানি জুলাইয়ে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৩ দশমিক ২ শতাংশ কমে ৭৭০ কোটি ইয়েনে পৌঁছেছে। পেছনে অন্যতম কারণ ছিল জাপানি সামুদ্রিক পণ্যগুলোর ওপর চীনের রেডিয়েশন পরীক্ষা চালু হওয়া। এমনটাই দাবি জাপান সরকারের। খবর মাইনিচি।
জাপানের কৃষি, বন ও মৎস্য মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুসারে, শামুকের রফতানি জানুয়ারি ২০২১ সালের পর প্রথমবারের মতো কমেছে। কারণ জাপান ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বর্জ্য পানি প্রশান্ত মহাসাগরে ছাড়তে শুরু করেছে। দেশটি থেকে সামুদ্রিক লবণ ও সামুদ্রিক খাবারের পাশাপাশি অন্যান্য সামুদ্রিক পণ্যের ওপরও নিষেধাজ্ঞা প্রদান করছে চীন।
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, এ ধরনের নিষেধাজ্ঞার কারণে আগস্টে চীনগামী সামুদ্রিক খাবার রফতানির পরিমাণ আরো কমার আশঙ্কা রয়েছে। আগস্টে রফতানির পমিাণ এখনো প্রকাশ হয়নি। চীন যেসব সামুদ্রিক পণ্যের ওপর রেডিয়েশন পরীক্ষা চালিয়েছে, তার মধ্যে টুনা মাছও ছিল, যা শুল্ক বাড়াতে সহায়তা করত।
চীনের কঠোর পরিদর্শনের প্রভাবের কারণে জাপানের খাদ্য, কৃষি, বনজ ও মৎস্য রফতানির মোট মূল্য দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ কমে ১১ হাজার ৭৮০ কোটি ইয়েনে দাঁড়িয়েছে, যা ছয় মাসের মধ্যে প্রথমবারের মতো কমেছে। এ হ্রাস ২০২৫ সালের মধ্যে বার্ষিক রফতানি ২ ট্রিলিয়ন ইয়েনে পৌঁছানোর লক্ষ্যকে প্রভাবিত করবে।










