এ চুক্তির ফলে কোম্পানিটির ব্যবসা ও আয়ের ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) কে অ্যান্ড কিউর শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ৮৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৬৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১০৭ টাকা ৫৫ পয়সায়।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৪ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কে অ্যান্ড কিউর ইপিএস হয়েছে ৯ টাকা ৪৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১০১ টাকা ৭২ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের মোট ৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। এর মধ্যে ৩ শতাংশ নগদ ও ২ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে কে অ্যান্ড কিউর ইপিএস হয়েছে ৬৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৯৬ টাকা ৩৩ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে কে অ্যান্ড কিউর ইপিএস হয়েছে ৩২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৭৬ টাকা ১৩ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কে অ্যান্ড কিউর ইপিএস হয়েছে ৫৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৯২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৭৫ টাকা ৬৪ পয়সায়।

১৯৯৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কে অ্যান্ড কিউর অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৬ কোটি ৯৯ লাখ ৩০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৬৪ কোটি ১৪ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৬৯ লাখ ৯৩ হাজার ৪৯। এর ৩৫ দশমিক ২৪ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৫ দশমিক ২৪ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৪৯ দশমিক ৫২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

ডিএসইতে কোম্পানিটির শেয়ার সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার ৪৭০ টাকা ৫০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে। গত এক বছরে শেয়ারটির দর ১৮২ টাকা ১০ পয়সা থেকে ৫৪০ টাকার মধ্যে ওঠানামা করেছে।