২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথমার্ধে ভারতের সাতটি শহরে গড় অফিস ভাড়ার হার ৭ শতাংশ বেড়েছে। এটি ২০২২-২৩ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় বেশি। সম্প্রতি প্রকাশিত অ্যানারক রিসার্চের নতুন প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর আর্যাবিয়ান নিউজ।
প্রতিবেদনটি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথমার্ধে শীর্ষ সাতটি শহরে নতুন অফিস সরবরাহ মাত্র ৫ শতাংশ বেড়েছে বলে জানিয়েছে। চেন্নাইয়ে গড় মাসিক অফিস ভাড়া ১০ শতাংশ বেড়েছে। হায়দরাবাদের বার্ষিক বৃদ্ধির হার ৮ শতাংশ। বেঙ্গালুরু, পুনে ও কলকাতায় বার্ষিক ভাড়া ৭ শতাংশ বেড়েছে। মুম্বাই ও দিল্লি উভয়ই অঞ্চলে ৫ শতাংশ করে ভাড়া বেড়েছে।
অ্যানারক গ্রুপের রিজিওনাল ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড (রিসার্চ) প্রশান্ত ঠাকুর জানান, বিশ্বব্যাপী বেশ কয়েকটি বড় করপোরেট গ্রুপে কর্মী ছাঁটাই হয়েছে। ব্যবসায়ের পরিমাণ কমে গেছে। এ কারণে ভারতে বাণিজ্যিক অফিস স্পেসের চাহিদা কমবে বলে ধারণা করা হয়েছিল। তবে সব প্রতিকূলতা সত্ত্বেও ২০২৩ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২০২৪ অর্থবছরের প্রথমার্ধে অফিস কার্যক্রম অনেকটা অপরিবর্তিত থাকছে।
অফিস শেয়ার ইজারা দেয়ার ক্ষেত্রে আইটি ও আইটিইএস এখনো আধিপত্য বজায় রেখেছে। তবে এর অনুপাত বছরের পর বছর কমছে। ২০২০ অর্থবছরের প্রথমার্ধে ৪৬ থেকে ২০২৪ অর্থবছরের প্রথমার্ধে ২৯ শতাংশে নেমে এসেছে।
এর পরিবর্তে কো-ওয়ার্কিং স্পেসগুলো ১১-২৪ শতাংশ পর্যন্ত একটি বড় অংশ দাবি করছে। এটি সাশ্রয়ী অফিসের বিকল্পগুলোর দিকে মনোযোগের প্রমাণ। অ্যানারক ভারতের বাণিজ্যিক রিয়েল এস্টেটের জন্য স্বল্পমেয়াদি প্রতিকূলতার পূর্বাভাস দিয়েছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক দুর্দশা অদূর ভবিষ্যতে চাহিদা ব্যাহত করতে পারে।
অ্যানারক জানায়, গ্রেড-এ অফিস স্পেস এখনো তুলনামূলকভাবে ভারতে আকর্ষণীয় মূল্য পাওয়া যাচ্ছে। বাজারের স্থিতিশীলতা ২০২৪ সালের মাঝামাঝি থেকে ফিরে আসতে পারে।
শীর্ষস্থানীয় ভারতীয় শহরগুলোয় অফিসের ভাড়ায় মাঝারি বৃদ্ধি দেখা গেছে। লিজিং ট্রেন্ডগুলো দুর্বল। তবে নমনীয় কো-ওয়ার্কিং স্পেসগুলোর চাহিদা বাড়ছে। তাই আশা করা হচ্ছে, ২০২৪ সালের দ্বিতীয়ার্ধ থেকে অফিস স্পেসের বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসতে পারে।










