চীনে গম উৎপাদনে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে। চলতি বছর দেশটি ১৩ কোটি ৪০ লাখ টন গম উৎপাদন করতে সক্ষম হবে। গত বছরের তুলনায় উৎপাদন বাড়বে ২ শতাংশ। চীনের ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিকস ব্যুরো (এনএসবি) এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটি জানায়, চলতি বছর গমের আবাদ বেড়েছে। ফলে উৎপাদন বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এনএসবি এক নোটে জানায়, গমের আবাদ ও উৎপাদন যথাক্রমে দশমিক ৯ শতাংশ ও ১ দশমিক ১ শতাংশ বাড়বে।

এনএসবি আরো জানায়, চীনে গ্রীষ্মকালীন খাদ্যশস্য উৎপাদন গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২ শতাংশ বেড়েছে। উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৪ কোটি ৫৮ লাখ ২০ হাজার টনে। গ্রীষ্ম মৌসুমে খাদ্যশস্যের আবাদ ১ শতাংশ বেড়েছে, যা ছয় বছরের রেকর্ড সর্বোচ্চ।

এদিকে নভেল করোনা ভাইরাসের প্রভাব ধীরে ধীরে কাটছে। ফলে চীন তার খাদ্য সুরক্ষায় নীতি গ্রহণ করেছে। এ নীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে খাদ্যশস্য সরবরাহ বাড়াচ্ছে দেশটি। সম্প্রতি চীন খাদ্যশস্যের মজুদ সক্ষমতা অতিরিক্ত ১ কোটি ৮ লাখ ৫০ হাজার টন বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। বর্তমানে চীনের ৬৫ কোটি টন খাদ্যশস্যের মজুদ সক্ষমতা রয়েছে।

চীন বিশ্বের শীর্ষ গম উৎপাদনকারী দেশ। চায়না এগ্রিকালচারাল সেক্টর ডেভেলপমেন্ট শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালের মধ্যে চীন চাল ও গমসহ প্রধান খাদ্যশস্য উৎপাদনে পুরোপুরি আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠবে।