ইন্দোনেশিয়া থেকে রফতানি হওয়া বায়োডিজেলের ওপর ৮ থেকে ১৮ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করল ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। দেশটিতে উৎপাদিত বায়োডিজেলের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বাড়তি সুবিধা নিয়ে এতদিন ইউরোপের বাজারে রফতানি হতো। কিন্তু ইইউভুক্ত উৎপাদক দেশগুলোর মধ্যে ভারসাম্য নিয়ে আসতে মঙ্গলবার এ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইইউ। ফলে এখন থেকে ইউরোপের বাজারে ইন্দোনেশিয়ার বায়োডিজেল প্রবেশ করতে হলে ওই পরিমাণ শুল্ক দিতে হবে। খবর রয়টার্স।
পাম অয়েল উৎপাদনকারী ও রফতানিকারক দেশগুলোর বৈশ্বিক তালিকায় ইন্দোনেশিয়ার অবস্থান শীর্ষে। দেশটিতে উৎপাদিত পাম অয়েলের উল্লেখযোগ্য অংশ ব্যবহার হয় বায়োডিজেল উৎপাদনে, যার অধিকাংশ ইউরোপের (ইইউ) বাজারে রফতানি হয়। কিন্তু গত মার্চ থেকে ইইউ ইন্দোনেশিয়ার রফতানি করা বায়োডিজেলের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলে। এর পরই ইউরোপের বাজারে ইন্দোনেশিয়ার বায়োডিজেল প্রবেশের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করে ইইউ। তারই অংশ হিসেবে দেশটি থেকে আমদানি হওয়া বায়োডিজেলের ওপর ৮ থেকে ১৮ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করার সিদ্ধান্ত নেয়।
ইইউর এক নির্বাহী বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শর্তসাপেক্ষে নতুন এ শুল্ক আরোপ করা হলো। পাশাপাশি দেশটির বায়োডিজেল নিয়ে চলা তদন্ত অব্যাহত থাকবে। এ তদন্তের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে নির্দিষ্ট শুল্ক আরোপ করা হবে।
বায়োডিজেলের ওপর আরোপ করা শুল্ক নিয়ে ইইউ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে কিছুটা বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। গত সপ্তাহে ইন্দোনেশিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী ইইউভুক্ত দেশগুলো থেকে আমদানি করা দুগ্ধপণ্যের ওপর ২০ থেকে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের সুপারিশ করবেন বলে জানান।










