পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং স্টেশন লিমিটেডের ১৫১ কোটি টাকার বেশি মূল্যমানের শেয়ার গত সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে। এর মাধ্যমে আলোচ্য সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সর্বোচ্চ লেনদেন তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে কোম্পানিটি। স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্য অনুসারে, গত সপ্তাহে ডিএসইতে ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং স্টেশনের মোট ৩ কোটি ৭৯ লাখ ৫২ হাজার ৪১১টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যার আর্থিক মূল্য ১৫১ কোটি ২২ লাখ ৯৬ হাজার টাকা। আলোচ্য সপ্তাহে ডিএসইর মোট লেনদেনে কোম্পানিটির অবদান ছিল ৩ দশমিক ৩০ শতাংশ। এ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর কমেছে ২ দশমিক ৪৩ শতাংশ।
সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২২-২৩ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং স্টেশনের সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৩৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৭৩ পয়সা। আর সর্বশেষ তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ২৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩৬ পয়সা। গত ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৮৬ পয়সায়।
২০২১-২২ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ঘোষিত ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ এরই মধ্যে বিতরণ সম্পন্ন করেছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮১ পয়সা। গত বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১২ টাকা ২১ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১২ টাকা ১৭ পয়সা।
৩০ জুন সমাপ্ত ২০২০-২১ হিসাব বছরের জন্য মোট ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং স্টেশন। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ শেয়ারহোল্ডাররা পেয়েছেন ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ। আর সব ধরনের শেয়ারহোল্ডার পেয়েছেন ৮ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৮১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫২ পয়সা।










