মন্দা ভাব কাটিয়ে ২০১৮ সালে চাঙ্গা হয়ে উঠেছিল মিয়ানমারের ভুট্টা রফতানি খাত। তবে পরের বছর দেশটি থেকে কৃষিপণ্যটির রফতানি বাড়েওনি, কমেওনি। দেশটির ভুট্টা রফতানি অপরিবর্তিত থাকার এ তথ্য দিয়েছে মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিস। খবর এগ্রিমানি ও ইলেভেন মিয়ানমার।
মিয়ানমার বিশ্বের দশম শীর্ষ ভুট্টা রফতানিকারক দেশ। ইউএসডিএর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে মিয়ানমারের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা রফতানি হয়েছিল। ওই বছর দেশটি থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে কৃষিপণ্যটির রফতানি ৪২ দশমিক ৮৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ১৫ লাখ টনে। তবে পরের বছরই মিয়ানমারের ভুট্টা রফতানি কমে দাঁড়ায় ১৩ লাখ ৫০ হাজার টনে, যা আগের বছরের তুলনায় ১০ শতাংশ কম।
মন্দা ভাব কাটিয়ে ২০১৮ সালে মিয়ানমার থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে সব মিলিয়ে ১৪ লাখ টন ভুট্টা রফতানি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানিয়েছে ইউএসডিএ, যা আগের বছরের তুলনায় ৩ দশমিক ৭০ শতাংশ বেশি। সেই হিসেবে এক বছরের ব্যবধানে দেশটি ভুট্টার রফতানি ৫০ হাজার টন বাড়িয়েছে। ২০১৯ সালেও মিয়ানমার থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে একই পরিমাণ (১৪ লাখ টন) ভুট্টা রফতানি হয়েছে। তবে চলতি বছর কৃষিপণ্যটির রফতানি বাড়াতে পারে মিয়ানমার।










