দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোয় বিদ্যুৎ রফতানি করার ব্যাপারে ভাবছে ভারত। মিয়ানমার ও থাইল্যান্ড হয়ে উক্ত অঞ্চলকে যুক্ত করা হবে বৈদ্যুতিক সংযোগের সঙ্গে। বিশ্বজুড়ে জলবায়ু সচেতনতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চাহিদা বাড়ছে বিদ্যুতের। সে সুযোগটা কাজে লাগাতে চায় দেশটি। খবর দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজারে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে চার বছর সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোয় বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য আলোচনা করে ভারত। যদিও এ বিষয়ে ভারত সরকারের বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় থেকে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করার নীতি অবলম্বন করছে। ভারত এ অঞ্চল থেকে চীনের প্রভাব কমানোর ক্ষেত্রে অনুঘটকের ভূমিকা পালন করেছে। ভারতের জ্বালানিমন্ত্রী এরই মধ্যে বেশকিছু দেশের সঙ্গে আলোচনা চালিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে জি২০ভুক্ত দেশগুলোর সহযোগিতা বিনিয়োগ আকর্ষণে ইতিবাচক প্রভাব রাখবে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বরাতে জানানো হয়েছে, যদি ভারতের জাতীয় গ্রিডকে মিয়ানমারের সঙ্গে যুক্ত করা সম্ভব হয়, তাহলে থাইল্যান্ড ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোকেও যুক্ত করা সম্ভব হবে।
অ্যাসোসিয়েশন অব সাউথ-ইস্ট এশিয়ান ন্যাশন তথা আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোয় দীর্ঘদিন ধরেই সম্মিলিত বৈদ্যুতিক গ্রিড স্থাপনের বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। কিন্তু বিদ্যুতের ব্যবহার কেবল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মধ্যেই স্থির ছিল, বহুপক্ষীয় প্রয়াসের রূপ পায়নি। নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে ঝুঁকে পড়তে থাকা দেশগুলোর জন্য ভারত বিদ্যুৎকেই প্রধান বাণিজ্যিক অনুঘটক বলে মনে করছে।










