চলতি বছরের জুনে জাপানের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত ছিল ৪ হাজার ৩০০ কোটি ইয়েন বা ৩০ কোটি ডলার। দুই বছরের মধ্যে প্রথম বাণিজ্য উদ্বৃত্ত দেখল এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহৎ অর্থনীতিটি। যুক্তরাষ্ট্রে চাঙ্গা রফতানি ও জ্বালানি আমদানি কমায় বাণিজ্য উদ্বৃত্ত দেখেছে জাপান। গতকাল সরকারি উপাত্তে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর কিয়োদো এজেন্সি।
২০২৩ সালের প্রথম ছয় মাসে জাপানের বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৯৬ ট্রিলিয়ন ইয়েন। গত বছরের একই সময়ের চেয়ে অবশ্য তা ১৩ শতাংশ কম।
জুনে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে জাপানের গাড়ি ও নির্মাণ খাতসংশ্লিষ্ট মেশিনারির চাহিদা বেড়েছে। এতে জাপানের সার্বিক রফতানি ১ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ৮ দশমিক ৭৪ ট্রিলিয়ন ইয়েনে দাঁড়িয়েছে, যা এখন পর্যন্ত জাপানের সর্বোচ্চ মাসওয়ারি রফতানি। এদিকে দেশটির আমদানি ১২ দশমিক ৯ শতাংশ কমে ৮ দশমিক ৭০ ট্রিলিয়ন ইয়েনে দাঁড়িয়েছে। জাপানের অপরিশোধিত জ্বালানি তেল, কয়লা ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি কমার ফলে দেশটির সার্বিক আমদানি ব্যয় কমেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উদ্বৃত্ত হলেও চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি ছিল জাপানের। আমদানির চেয়ে রফতানি কমায় চীনের সঙ্গে জাপানের বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ৪৪ হাজার ২৮৩ কোটি ইয়েন। চীনের বাজারে জাপানের ইস্পাত ও চিপের চাহিদা হ্রাসে এমনটা হয়েছে।










