ব্রাজিল বিশ্বের শীর্ষ সয়াবিন উৎপাদক ও রফতানিকারক। বৈরী আবহাওয়ার কারণে এ বছর উভয় ক্যাটাগরিতেই দেশটি মন্দার মধ্যে থাকবে। সম্প্রতি গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক রিপোর্টে এমনটা জানায় মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিস।

প্রাথমিকভাবে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে খরার ভয়াবহতার কারণে ইউএসডিএ সয়াবিন উৎপাদন পূর্বাভাস কমিয়েছে। সংস্থাটি জানায়, চলতি মৌসুমে দেশটির উৎপাদন ১৫ লাখ টন কমতে পারে। মোট উৎপাদন দাঁড়াবে ১৩ কোটি ৪৫ লাখ টনে।

ইউএসডিএ জানায়, এ মৌসুমে প্রতি হেক্টর জমি থেকে ৩৩ লাখ ৭৯ হাজার টন সয়াবিন উৎপাদন হতে পারে, যা আগের বছরের তুলনায় কম। মূলত দেশটির প্রধান আবাদি অঞ্চলগুলোয় তেলবীজটির চাষের পরিমাণ কমায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

এদিকে লা নিনা প্রভাব অব্যাহত থাকলে আবহাওয়া পরিস্থিতি আরো খারাপের দিকে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এমন ঘটলে আরো বেশি ক্ষতির মুখে পড়বে আবাদকৃত সয়াবিন। ফলে উৎপাদন পূর্বাভাস আরো কমিয়ে আনার প্রয়োজন দেখা দিতে পারে।

তবে ব্রাজিলের সয়াবিন রফতানি এখনো শক্তিশালী। কারণ আগের মৌসুমে দেশটিতে ভালো পরিমাণ সয়াবিন উৎপাদন হয়েছিল। এ কারণে পণ্যটির বিপুল পরিমাণ মজুদ অবশিষ্ট রয়েছে। এ মজুদ থেকেই রফতানি বাড়াচ্ছে দেশটি। তবে ডিসেম্বরে মৌসুম শেষ হওয়ার আগেই রফতানিতে নেতিবাচক প্রভাব দেখা দিতে পারে।

ইউএসডিএ ২০২১-২২ মৌসুমের জন্য ব্রাজিলের সয়াবিন রফতানি পূর্বাভাস কমিয়েছে। রফতানির পরিমাণ ধরা হয়েছে ৮ কোটি ৬৮ লাখ টন। অথচ আগের পূর্বাভাসে ৯ কোটি ১১ লাখ টন রফতানি কথা বলা হয়েছিল।