ফিউচার মার্কেটে কমেছে রাবারের দাম। পণ্যটির শীর্ষ ব্যবহারকারী দেশ চীনে চাহিদা কমায় ও ইয়েনের দরপতনে বাজার নিম্নমুখী হয়ে পড়েছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার।
তথ্য বলছে, ওসাকা এক্সচেঞ্জে প্রাকৃতিক রাবারের ফেব্রুয়ারি সরবরাহ চুক্তি মূল্য দশমিক ৬ ইয়েন বা দশমিক ৩ শতাংশ কমেছে। প্রতি কেজির মূল্য দাঁড়িয়েছে ২৩৫ দশমিক ৪ ইয়েন বা ১ ডলার ৫৯ সেন্টে।
অন্যদিকে, সাংহাই ফিউচারস এক্সচেঞ্জে জানুয়ারি সরবরাহ চুক্তিতে জাপানিজ রাবারের দাম ১৫ ইয়েন বেড়েছে। প্রতি টনের মূল্য স্থির হয়েছে ১৪ হাজার ২৮০ ইয়েন বা ১ হাজার ৯৫৬ ডলার ৮১ সেন্টে।
চলতি সপ্তাহে প্রকাশিত এক জরিপে বলা হয়েছে, ভূরাজনীতি ও অর্থনৈতিক মন্থরতার কারণে চীনে ব্যবসা চালাতে হিমশিম খাচ্ছে মার্কিন কোম্পানিগুলো। আগামী পাঁচ বছরের উৎপাদন নিয়ে হতাশাব্যঞ্জক পূর্বাভাস দিয়েছে কোম্পানিগুলো। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, লম্বা সময় ধরেই অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে চীন। কিন্তু এখনো ইতিবাচক কোনো ফল আসেনি। তার ওপর দেশটির প্রপার্টি খাতে চলছে টালমাটাল পরিস্থিতি। এ অবস্থায় ঝুঁকিতে রাবারের চাহিদা।
সম্প্রতিক সময়ে ডলারের বিপরীতে জাপানিজ ইয়েনের দরপতনও রাবারের দাম কমার অন্যতম কারণ। মুদ্রাটির দাম দশমিক ১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৪৭ দশমিক ৭৬ ইয়েন। এর আগে গত সপ্তাহে মুদ্রাটির বিনিময় হার ১০ মাসের সর্বনিম্ন ১৪৭ দশমিক ৯৫ ইয়েনে নেমেছিল। ফলে অন্য মুদ্রার ক্রেতাদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে দেশটির রাবারের দাম।










