বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসির সার্ভিল্যান্স রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘ডাবল এ থ্রি’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-২’। সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যাংক ঋণের অবস্থান ও রেটিং ঘোষণার তারিখ পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)।
চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) বিকন ফার্মার শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৬০ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ৯৯ পয়সা। গত ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা ৩২ পয়সা।
সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১৬ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে বিকন ফার্মাসিউটিক্যালসের পর্ষদ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস কমেছে ৪৫ শতাংশেরও বেশি। প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৩ হিসাব বছরে ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ২১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ৫ পয়সা। ৩০ জুন শেষে কোম্পানির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা ৭২ পয়সায়, আগের হিসাব বছরে শেষে যা ছিল ২৫ টাকা ৭৩ পয়সা।
ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডায় শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন নিতে আগামী ২৪ ডিসেম্বর বেলা ১১টায় ডিজিটাল প্লাটফর্মে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ছিল ১৬ নভেম্বর।
২০২১-২২ হিসাব বছরে বিকন ফার্মাসিউটিক্যালসের ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৫ পয়সা। যেখানে এর আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ৩ টাকা ৭৪ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২৫ টাকা ৭৩ পয়সায়। আলোচ্য হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৬ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয় কোম্পানিটি।
এর আগে ২০২০ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরে ৬ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস ছিল ১ টাকা ৬৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৫১ পয়সা।










