বিশ্বনেতারা যখন জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন ঠিক তখনই জ্বালানি তেলের বৈশ্বিক চাহিদা ফিরেছে মহামারীপূর্ব অবস্থায়। ব্রিটিশ বহুজাতিক তেল ও গ্যাস কোম্পানি বিপি জানিয়েছে, জ্বালানি তেলের বৈশ্বিক চাহিদা দৈনিক ১০ লাখ ব্যারেলের গণ্ডি ছাড়িয়েছে। খবর আরব নিউজ ও বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
বিশ্বজুড়ে গ্রীনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ কমানোর আবশ্যকতা ক্রমেই বাড়ছে। তা সত্ত্বেও জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহারে উল্লম্ফন দেখা যাচ্ছে। দাম বেড়ে পৌঁছেছে কয়েক বছরের সর্বোচ্চ পর্যায়ে। চাহিদা ও ব্যবহার বাড়লেও সীমিত হয়ে পড়ছে জ্বালানি সরবরাহ। ফলে বিশ্ব অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার হুমকির মুখে রয়েছে।
বিপির প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা মারে আকিনক্লস বলেন, জ্বালানি তেল রফতানিকারক দেশগুলোর জোট ও জোট নিয়ে গঠিত ওপেক প্লাস বাজারে ভারসাম্য তৈরির কাজটি খুব ভালোভাবেই সম্পন্ন করেছে। আমাদের জন্য জ্বালানি তেলের দাম ইতিবাচক পর্যায়েই রয়েছে।
অন্যদিকে উত্তোলন আরো বাড়াতে ভোক্তা দেশগুলোর চাপের মুখে রয়েছে ওপেক প্লাস। যদিও জোটটি প্রতি মাসে দৈনিক চার লাখ ব্যারেল করে উত্তোলন বাড়ানোর যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তাতেই অটল।
সাম্প্রতিক পূর্বাভাসগুলোর মধ্যে ব্যাংক অব আমেরিকার পূর্বাভাস বলছে, আগামী বছরের জুনের শেষ নাগাদ অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক বাজার আদর্শ ব্রেন্টের দাম ব্যারেলপ্রতি ১২০ ডলারে উন্নীত হতে পারে।










