বিশ্বব্যাপী ভেনামি চিংড়ির চাহিদা বেশি। কিন্তু বাংলাদেশে এ চিংড়ি চাষাবাদ কম। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী যে হিমায়িত মাছ রফতানি করা হয় তার বেশির ভাগই ভেনামি চিংড়ি। যার কারণে বাংলাদেশের ভেনামি চিংড়ি উৎপাদনে সরকারের বড় পদক্ষেপ জরুরি।

গতকাল চট্টগ্রামের সী মার্ক গ্রুপের কর্ণধার ইকবাল ওভিই এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। সী মার্ক গ্রুপের প্রধান কার্যালয়ে ভেনামি চিংড়ি চাষের নিবিড়/অতি-নিবিড় প্রকল্পের ভিডিও ও পাওয়ার পয়েন্ট প্রদর্শনী শীর্ষক এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ সময় ইকবাল আহমেদ বলেন, ‘কক্সবাজারের উখিয়ায় বেসরকারি উদ্যোগে ভেনামি চিংড়ি উৎপাদনের জন্য পাইলট প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। চলতি বছরের এপ্রিল থেকে প্রকল্পটিতে এ ভেনামি চিংড়ির উৎপাদন শুরু হয়। তবে ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ভেনামি চিংড়ি চাষের উপযোগী পরিবেশ তৈরি করার জন্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজ শুরু করা হয়। উন্নত ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিশ্বব্যাপী চাহিদাসম্পন্ন এ চিংড়ি উৎপাদন এবং বিদেশে রফতানি করতে সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘সবাই ভেনামি চিংড়ি উৎপাদনে গেলেও আমরা পিছিয়ে আছি। সে কারণে বেসরকারি পর্যায় থেকে ভেনামি চিংড়ি উৎপাদনে আমার প্রতিষ্ঠান এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তাছাড়া সরকারকে ভেনামি চিংড়ি উৎপাদনে যাওয়ার জন্য জায়গা বাছাই এবং পরিবেশসম্মত জায়গা নির্বাচন করতে হবে। চিংড়ি চাষের জন্য সরকারের বরাদ্দকৃত ঘেরগুলো যদি গুচ্ছ আকারে প্রকৃত ভেনামি চিংড়িচাষীদের বরাদ্দ দেয়া হয়, তবে এ খাতে এক যুগান্তকারী সম্ভাবনার সূচনা হবে।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য মান-নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের উপপরিচালক ফারহানা লাভলী, চট্টগ্রাম জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শ্রীবাস চন্দ্র চন্দ, বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আশরাফ হোসাইন মাসুদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. শাহজাহান চৌধুরীসহ আরো অনেকে।